গাজীপুরে ৩৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাতিল ১৯ জনের
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাজীপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা এবং ১৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলম হোসেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
গাজীপুর-১ আসনে মোট আট প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি মনোনীত মুজিবুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর শাহ আলম বকশিসহ ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হয়। এই আসনে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মো. আতিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
গাজীপুর-২ আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এ আসনে যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি মনোনীত মনজুরুল করিম রনি ও জামায়াতে ইসলামীর মো. হোসেন আলীসহ ১০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়। আটজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের বৈধ সমর্থন না থাকায় মো. আতিকুল ইসলাম, খন্দকার রুহুল আমিন, জিত বড়ুয়া ও তাপসী তন্ময় চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। নির্ধারিত হলফনামায় তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ না করায় গণঅধিকার পরিষদের মাহফুজুর রহমান খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যথাযথ হলফনামা দাখিল না করায় জাতীয় পার্টির ইসরাফিল মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। হলফনামা ও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণে শরিফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয় এবং হলফনামা সঠিকভাবে দাখিল না করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপিনেতা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি সালাউদ্দিন সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, গাজীপুর-৩ আসনে মোট ১০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও জামায়াতে ইসলামীর জাহাঙ্গীর আলমসহ সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হয়। তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কাগজপত্রে ত্রুটি ও নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে এসব মনোনয়নপত্র বাতিলের করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
সব মিলিয়ে গাজীপুরের এই তিনটি আসনে একদিনেই ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় জেলার নির্বাচনি সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ফলে নির্বাচনে কেবল নিয়মতান্ত্রিক ও যোগ্য প্রার্থীরাই মাঠে টিকে আছেন।
গাজীপুর -৪ (কাপাসিয়া) আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে যাচাই বাছাই শেষে বিএনপি মনোনীত শাহ মো. রিয়াজুল হান্নান ও জামায়াতে ইসলামীর সালাউদ্দিন আইউবীসহ পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসেমের আয়কর বাকি থাকায় এবং এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরে ত্রুটিপূর্ণ থাকার অভিযোগে মনোনয়নপত্র বতিল করা হয়। ত্রুটিপূর্ণ হলফনামার কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. কাজিম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অঙ্গীকারনামা ও হলফনামা ত্রুটিপূর্ণ থাকায় আম জনতার দল মনোনীত মো. জাকির হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিউল্লাহর ১ শতাংশ সমর্থকের নথিতে ত্রুটি থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
গাজীপুর-৫ আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত এ কে এম ফজলুল হক মিলন ও জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ খাইরুল হাসানসহ সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছে। এ ছাড়া

নাসির আহমেদ, গাজীপুর