চেয়ারম্যান পদে আ. লীগ নেতা পেলেন ২ ভোট
পঞ্চগড় জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আজ বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আটজন প্রার্থী। এর মধ্যে চারজনই আওয়ামী লীগের নেতা।
চারজনের একজন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ ভোট। একই সংখ্যক ভোট পেয়েছেন জাতীয় পার্টির (জেপি-মঞ্জু) বোদা উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক এ এইচ এম ফজলুল হক। বাকি ছয় প্রার্থী তাঁদের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন।
এদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সদর উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি মো. আমানুল্লাহ বাচ্চু। তিনি একই সঙ্গে সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক, জেলা পাথর-বালি যৌথ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, জেলা পাথরবালি ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারী সমিতির সভাপতি।
আমানুল্লাহ বাচ্চু টেবিল ফ্যান প্রতীক নিয়ে ১৩৫ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু বকর ছিদ্দিক। তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২২ ভোট। অপর প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন তালগাছ প্রতীক নিয়ে ১১৯ ভোট, জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক এমরান আল আমিন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০১ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলদার রহমান আনারস প্রতীক নিয়ে ৯৪ ভোট ও জেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ ভোট।
জেলার পাঁচ উপজেলার ১৫টি কেন্দ্রে আজ বুধবার সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। জেলার পাঁচটি উপজেলা পরিষদ, পঞ্চগড় পৌরসভা ও ৪৩টি ইউনিয়ন পরিষদের ৫৮১ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ভোট দেন। একটি ভোট বাতিল হয়।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মণ্ডল সন্ধ্যায় বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ গোলাম আজম, পুলিশ সুপার মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেওয়ান সারওয়ারসহ জেলা উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, পঞ্চগড়