ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দের দাবি ট্রাম্পের, পাল্টা হুমকি তেহরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বলেন, ‘তৌস্কা’ নামের জাহাজটি সতর্কবার্তা অমান্য করায় মার্কিন নৌবাহিনী সেটিকে থামিয়ে জব্দ করে।
ট্রাম্পের দাবি, জাহাজটি প্রায় ৯০০ ফুট দীর্ঘ এবং অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে গুলি চালিয়ে সেটিকে অচল করে দেয় এবং পরে নিয়ন্ত্রণে নেয়। খবর বিবিসির।
তবে ইরান এ ঘটনাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দ্রুত প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। দেশটির সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়া’র এক মুখপাত্র বলেন, মার্কিন বাহিনী ওমান সাগরে ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটিতে আরোহন করেছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাচ্ছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। যদিও তেহরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি এবং বলেছে, মার্কিন অবরোধ চলমান থাকলে তারা আলোচনায় বসবে না।
সংঘাতের মধ্যেই হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আবারও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ইরান ইতোমধ্যে জানিয়েছে, অবরোধ অব্যাহত থাকলে প্রণালি বন্ধ রাখা হবে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলের উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক