রাস্তায় নামতেই তদন্তের মুখে টেসলার সাইবারক্যাব
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিনে যাত্রী পরিবহন সেবা শুরুর পরপরই টেসলার চালকবিহীন গাড়ি সাইবারক্যাব নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনএইচটিএসএ)। সংস্থাটির এই তদন্তের আওতায় রয়েছে প্রায় ১ হাজার সাইবারক্যাব।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট এনগ্যাজেট-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এনএইচটিএসএ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার অল্পসংখ্যক সাইবারক্যাব দিয়ে বাণিজ্যিক সেবা শুরু করে টেসলা। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি নিজস্বভাবে নিশ্চিত করেছে যে, গাড়িগুলো সংশ্লিষ্ট সব ফেডারেল মোটর ভেহিকেল সেফটি স্ট্যান্ডার্ড (এফএমভিএসএস) মেনে চলছে। ভবিষ্যতে আরও গাড়ি যুক্ত করে অন্যান্য স্থানেও সাইবারক্যাবের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে টেসলার।
তবে সাইবারক্যাবের প্রচলিত ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এনএইচটিএসএ। সংস্থাটি বলেছে, গাড়িগুলোতে স্থায়ীভাবে যুক্ত প্রচলিত ব্রেক প্যাডেল, অ্যাক্সিলারেটর প্যাডেল, স্টিয়ারিং হুইল ও আয়নার মতো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই।
এনএইচটিএসএর ভাষ্য, সাইবারক্যাবকে নিরাপত্তা মানদণ্ডসম্মত ঘোষণা করতে টেসলা যে প্রক্রিয়া ও কারিগরি তথ্য ব্যবহার করেছে, তা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা মানদণ্ডের কিছু বিধান সাইবারক্যাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-এমন সিদ্ধান্তের ওপর টেসলার সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়া কতটা নির্ভর করেছে, সেটিও তদন্তে বিবেচনা করা হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, টেক্সাসে টেসলার ৪২০টি স্বয়ংক্রিয় যান নিবন্ধিত রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি সাইবারক্যাব। তবে এসব গাড়ির কতগুলো গ্রাহক পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কতগুলো পরীক্ষামূলক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।
এদিকে টেসলা অস্টিনের বাইরে ডালাস, হিউস্টন, মায়ামি, অরল্যান্ডো ও টাম্পাতেও মডেল ওয়াই গাড়ি ব্যবহার করে চালকবিহীন ট্যাক্সি সেবা দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক