বিদায় বার্তায় কী লিখলেন হালান্ড?
বিশ্বকাপ শুরুর আগেও আর্লিং হালান্ড ছিলেন কেবলই ম্যানচেস্টার সিটির। ক্লাবের হয়ে একের পর এক রেকর্ড ভাঙা হালান্ড এখন গোট নরওয়ের। রূপকথার এক বিশ্বকাপ পথচলায় তিনিই ছিলেন অগ্রনায়ক। শৈশব থেকে যে মঞ্চে পারফর্ম করার স্বপ্ন দেখেছিলেন হালান্ড, সুযোগ পেয়ে নিংড়ে দিয়েছেন সবটা। তবু, থামতে হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালে।
শেষ আটে রোমাঞ্চকর যাত্রা শেষ হলেও হালান্ডকে বিশ্ব ফুটবল মনে রাখবে বহুদিন। নিজের প্রথম আসরেই ৭ গোল করে জানান দিয়েছেন, আগামীর দিনগুলোতে তাকে যেন হিসেবের খাতায় রাখা হয়। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর নিজের অফিসিয়াল ’এক্স’ অ্যাকাউন্টে বার্তা দিয়েছেন এই গোল মেশিন।
হালান্ড লিখেছেন, ‘এটি চমৎকার একটি যাত্রা ছিল। সময়টাকে অসাধারণ ও বিশেষ করে তোলায় সবাইকে ধন্যবাদ।’
বিশ্বকাপ শেষে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সময় হালান্ড তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘বিদায় যুক্তরাষ্ট্র। এটি ছিল আবেগঘন সময়।’
বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফরম্যান্স দিয়ে আলোড়ন তুলেছেন হালান্ড। এবার মাঠের সেই সাফল্য ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের ভালোবাসায়। নরওয়ের এই স্ট্রাইকারের জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ হয়ে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে শত শত অভিভাবক তাদের নবজাতক সন্তানের নাম রাখছেন হালান্ডের নামে।
পেরুর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (রেনিয়েক) জানিয়েছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৬৮ জন নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ‘হালান্ড।’ এছাড়া আরও ৯১ জনের পুরো নাম নিবন্ধিত হয়েছে ‘আর্লিং হালান্ড’ হিসেবে।
হালান্ডের জনপ্রিয়তা যে কতটা বিস্তৃত, পেরুর এই ঘটনা তারই আরেকটি উদাহরণ। গোল ও পারফরম্যান্স দিয়ে ভক্তদের মুগ্ধ করার পর এবার মানুষের নামের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে নরওয়ের এই তারকার নাম।

স্পোর্টস ডেস্ক