ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ব্যাংক খাত
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। গেল সপ্তাহে খাতটিতে লেনদেন হয়েছে ৫০৭ কোটি ছয় লাখ টাকা। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ২৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৫০ কোটি সাত লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১১টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক ও বস্ত্র এই দুই খাতের ৯৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৮৮২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১৭টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৬৮ কোটি তিন লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫০৭ কোটি ছয় লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১০১ কোটি ৪১ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ।
লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৪৮ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা সাধারন বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২২৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ২১ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের সাত দশমিক ৯২ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে জ্বালানি ও শক্তি খাতে ছয় দশমিক ৫৫ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ছয় দশমিক শূন্য চার শতাংশ, বিবিধ খাতে তিন দশমিক ১৪ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে দুই দশমিক ৫৭ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে এক দশমিক ৯৮ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে এক দশমিক ৮৫ শতাংশ, আইটি খাতে এক দশমিক ৮২ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে এক দশমিক ৭২ শতাংশ, টেলিকম খাতে শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং সিরামিক খাতে শূন্য দশমিক ৮৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ, পাট খাতে এক দশমিক ৬৪ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক