ডিএসই : দুই খাতে লেনদেন ২৪ শতাংশ, শীর্ষে ওষুধ
সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে (১৯ থেকে ২৩ অক্টোবর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরের অবস্থানে প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান। এই দুই খাতে লেনদেন হয়েছে ২৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ১৩৮ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা। দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৪২৭ কোটি ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুঁজিবাজারে ২১টি খাতে রয়েছে ৪১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ওষুধ-রসায়ন এবং প্রকৌশল —এই দুই খাতের ৭৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫০৮ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার। বাকি ১৯ খাতের ৩৩৭টি প্রতিষ্ঠানে এক হাজার ৬২৯ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
শীর্ষে অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৮৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদনের ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। লেনদেনে খাতটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। এই খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২১৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ২৩ শতাংশ। লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বিমা খাত। এই খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২১৩ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। লেনদেনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এই খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৯৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। লেনদেনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক খাত। এই খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৫৭ শতাংশ। লেনদেনে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে জীবন বিমা খাত। এই খাতের ১৫টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ১৪১ কোটি দুই লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ছয় দশমিক ৬০ শতাংশ।
এছাড়া মোট লেনদেনের ছয় দশমিক ৪১ শতাংশ হয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে, বিবিধ খাতে পাঁচ দশমিক ৬৫ শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে পাঁচ শতাংশ, আইটি খাতে চার দশমিক ৯৯ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে চার দশমিক ২২ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে তিন দশমিক ২২ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে তিন দশমিক ১৫ শতাংশ, টেলিকম খাতে তিন শতাংশ, নন ব্যাংকিং আর্থিক খাতে দুই দশমিক ২৭ শতাংশ, চামড়া খাতে এক দশমিক ৪১ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ, সিরামিক খাতে শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক