আরাফার দিনে যে দোয়াটি পড়বেন
পবিত্র জিলহজ মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আর এই মাসেরই ৯ তারিখ ইসলামি শরিয়তে এক বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন দিন। এ দিনেই হাজিরা সমবেত হন মক্কার নিকটবর্তী আরাফাত ময়দানে, যা হজের মূল অংশ এবং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোকন।
আরাফার দিন শুধু হাজিদের জন্য নয়, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দিন। এই দিনে আল্লাহ তাআলা তার অসংখ্য বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।
এ দিন দোয়া কবুল হওয়ার এক মহাসুযোগ। হাদিসে বলা হয়েছে, শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।
আরাফার দিনের সর্বোত্তম ও শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো:
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি অদ্বিতীয়, তার কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তারই, প্রশংসাও তারই এবং তিনি সকল বিষয়ের ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া।
আপনি আরবি বা বাংলা যেকোনো ভাষায় নিজের মনের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা, গুনাহ মাফের প্রার্থনা এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রাণ খুলে দোয়া করতে পারেন।
আরাফার দিন সম্পর্কে আরও এক অনন্য হাদিসে এসেছে- এই দিনে আল্লাহ দুনিয়ার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন, আর বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করে বলেন- ‘দেখো আমার বান্দারা ধূলিধূসরিত হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছে, তারা আমার রহমতের আশায় এসেছে, অথচ আমার আজাব দেখেনি।’
এই দিনটি তাই শুধু স্মরণীয় নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, তওবা ও আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার এক বিরল সুযোগ।
মুসলিম বিশ্বের জন্য আরাফার দিন এক অফুরন্ত রহমতের বারতা নিয়ে আসে। এই দিনে এই দোয়াটি বেশি বেশি আমল করা উচিত।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক