বাড়ি নির্মাণে খরচ বাড়ছে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রড উৎপাদনকারী শিল্পের ওপর বর্তমানে প্রযোজ্য সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের হার পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর ফলে সরকার অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং কর কাঠামো সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের এমএস প্রোডাক্ট বা রডের উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান সুনির্দিষ্ট ভ্যাট কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই পরিবর্তনের ফলে নির্মাণসামগ্রী খাতের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, তবে এর বিস্তারিত প্রভাব নির্ভর করবে চূড়ান্ত ভ্যাট হার নির্ধারণের ওপর।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অংকের দিক থেকে যা দেশের ইতিহাসের রেকর্ড। বাজেটে সরকারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি’র পথে এগিয়ে নেওয়া।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে এবং ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক