দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক করপোরেট অফিস নির্মাণ করছে ওয়ালটন
বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে বিশাল এক উদ্যোগ নিয়েছে দেশীয় টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীতে ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক, টেকসই ও গ্রিন আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই মেগা প্রজেক্টের আর্কিটেকচারাল, কনস্ট্রাকশন ও ইঞ্জিনিয়ারিং পরামর্শক হিসেবে তিনটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো—ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং। সম্প্রতি রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রফেসর ডা. এম শামিম জেড বসুনিয়া, স্থপতি মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং আবুল বাশার মোহাম্মদ আব্দুল কবির।
ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, এই আইকনিক মেগা অফিস কমপ্লেক্সটি হবে আধুনিক, স্মার্ট ও টেকসই কর্মপরিবেশের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু একটি ভবন নয়, বরং বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। স্থপতি মুস্তফা খালিদ পলাশ জানান, এই ভবনের নকশায় গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মোট ১৪.৩ বিঘা জায়গার ওপর নির্মিতব্য ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের মোট আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। তবে প্রাথমিক ধাপে ৭ বিঘা জমিতে প্রায় ৯ লাখ বর্গফুটের ১৩ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে অতিরিক্ত তিনটি বেসমেন্ট থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক