ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের তিন বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর থানা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় প্রায় ১৩ বছর পর আদালত ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ ছাড়া রায়ে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়৷ মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, স্থানীয় শাজাহান মিয়া ও আজাদ।
আজ দুপুরে টাকোর্ট পরিদর্শক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক শহরে আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতঃভ্রমণে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাঁকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় পরের দিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুকের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর তদন্ত শেষে আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তৎকালীন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ। এরপর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে মামলার বাদী লাভলু মিয়া আদালতে নারাজি আবেদন দেন। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি মামলাটি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক রফিক উদ্দিন আহম্মেদ আবার অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর আট আসামির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কাজ শুরু হয়।

মহব্বত হোসেন, টাঙ্গাইল