গুলশানে আ.লীগের মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ, আরও ৯ জন কারাগারে
রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আরও নয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এই আদেশ দেন।
ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন আসামিদের হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
জিআরও মোক্তার হোসেন জানান, কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- বিল্লাল গাজী (৩৫), ইসমাঈল সিরাজী (৩২), মো. আরিফুর রহমান দিপু (২৭), মো. ইদ্রিসুল আলম (৫৫), জয়নাল আবেদীন মামুন (৫০), জয়ন্ত কুমার বাড়ৈ (৪৩), চিত্ত হক (৭৫), নিরব খান (২২) ও মো. সোহেল (৩০)।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ডিএমপির গুলশান বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এজাহারে বলা হয়েছে , গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানাধীন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। সরকারবিরোধী কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা স্লোগান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য সেখানে সমাবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল জব্দ করার কথাও এজাহারে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরো ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আদালত প্রতিবেদক