দক্ষিণাঞ্চলে ৯ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
দক্ষিণাঞ্চলের নয়টি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জল অনুসন্ধান বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম।
উপসহকারী প্রকৌশলী বলেন, কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, ঝালকাঠির বিষখালী ও সুগন্ধা নদীর পানি ৩৭ সেন্টিমিটার, ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার, দৌলতখানের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি ১ দশমিক ২ মিটার, বরগুনার বিষখালী ও খাকদোন নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীর পানির ৯ সেন্টিমিটার, মির্জাগঞ্জের পায়রা ও শ্রীমন্তের পানি ৬৫ সেন্টিমিটার এবং উমেদপুরের কঁচা নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তাজুল ইসলাম আরও জানান, উজিরপুর ও বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীর পানি, কাটিপাড়ার লোহালিয়া নদীর পানি এবং বাকেরগঞ্জের তুলাতলি নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
উপসহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর এই পানি বাড়ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নদী তীরবর্তী বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ি-ঘরে নদীর পানি ঢুকে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা নদী পারের বাসিন্দা নাসিউর রহমান বলেন, হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘরের মধ্যে পানিবন্দি হয়ে পড়েছি।
গলাচিপার বাসিন্দা মশিউর রহমান বলেন, বুধবার সকাল থেকে পানি বাড়তে শুরু করে। এখানে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি এখন পানির নিচে।

আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল