বেগম খোরশেদা বানুর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের মা, খান ফাউন্ডেশন ও দি মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন বেগম খোরশেদা বানুর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী শনিবার (১১ জুলাই)। এদিন বিকেল ৩টায় নরসিংদীর সদর উপজেলার বেলাবো গ্রামে পাকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
২০১১ সালের ১ জুলাই শুক্রবার সুবেহ সাদেকের সময় বেগম খোরশেদা বানু ইন্তেকাল করেন। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার নারায়ণগঞ্জ মহকুমার নরসিংদী থানাধীন বেলাবো গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডেপুটি বাড়ির সন্তান, যে গ্রামটি এখন নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। তার পিতা মরহুম আবদুল গফুর ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ শাসন আমলে এ অঞ্চলে প্রথম ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি এলাকায় ডেপুটি সাহেব নামে সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। বেগম খোরশেদা বানু ছিলেন আট ভাই বোনের মধ্যে দ্বিতীয় এবং বোনদের মধ্যে বড়।
ছোট বেলা থেকে বেগম খোরশেদা খুব মেধাবী, মিষ্টভাষী, পরোপকারী ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন ঢাকার বিখ্যাত ইডেন স্কুলের ছাত্রী, যে স্কুল ভবনটি এখন বাংলাদেশ সচিবালয় হিসেবে ব্যবহৃত ও পরিচিত।
শিশু কাল থেকেই তার বইয়ের প্রতি দুর্বলতা ছিল খুব বেশি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি পৃথিবীর নোবেল লরিয়েটসহ বিখ্যাত মনীষীদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কর্মগুলো অধ্যয়ন করেছেন। তিনি ছিলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খানের স্ত্রী এবং ডাক ও তার বিভাগের মহাপরিচালক ও পি. এম. জি. নাসিরউদ্দিন আহমদের ছোট বোন এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ডা. রশিদউদ্দিন আহমদ এবং অধ্যাপক ফরিদা বানু ও অধ্যাপক সাজেদা বানুর বড় বোন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, অধ্যাপক ফৌজিয়া বেগম ও অধ্যাপক ড. সেলিমা বেগমের মাতা তিনি।
সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের কথা বিবেচনা করে ১৯৮৮ সালে ধ্বংসাত্মক ও প্রলয়ংকরী বন্যায় আক্রান্ত অসহায়, নিঃসম্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টায় মরহুম আবদুল মোমেন খানের স্মরণে প্রতিষ্ঠিত খান ফাউন্ডেশন ও পরবর্তীতে খান ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত দি মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম খোরশেদা ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক