কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ও ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজধানীর মিরপুর সিরামিক রোড এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) কোরবানির বর্জ্য অপসারণের মূল কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডিএনসিসি’র প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে তারা মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানির বর্জ্য আজ দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে নগরবাসীকে সম্পূর্ণ স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আজ মাঠপর্যায়ে সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি। কাজের যে গতি দেখছি, তাতে আশা করছি রাত ২টার অনেক আগেই ঢাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্জ্য অপসারণের এই বিশেষ কার্যক্রম আগামী আরও দুই দিন পর্যন্ত জোরদারভাবে চলমান থাকবে। ঢাকা উত্তর সিটিতে এবার কোরবানির বর্জ্য দ্রুত সরাতে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ৭৫২টি ভারী যানবাহন একযোগে কাজ করছে। এ সময় নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, আপনারা কোরবানির বর্জ্য ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখবেন, যাতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সহজেই তা গাড়িতে তুলতে পারে। নগরবাসী আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন; ইনশাআল্লাহ, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরো নগরী পরিষ্কার করতে সক্ষম হব।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসি’র ৭২ ঘণ্টার একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ রয়েছে। তিনি শতভাগ পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানিয়েছে, আজ দুপুর ২টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৬টি ট্রিপের মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ১৫৮ টন কোরবানির বর্জ্য সফলভাবে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে অপসারণ করা হয়েছে।
পরিদর্শন কার্যক্রমে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মো. হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)