দেশের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা যাতে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না? থাকলে, তা কী?
জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তথাপি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ও সেবা যাতে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সেজন্য বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
এক. বিমানবন্দরের প্রবেশ ও বাহির পথসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপনসহ বিমানবন্দর এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
দুই. কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিন. গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপতৎপরতা রোধকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চার. পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
পাঁচ. বিমানবন্দর এলাকায় চুরি ও ছিনতাই রোধকল্পে পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ছয়. গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সাত. বিমানবন্দরগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
আট. নিষিদ্ধ কোনো বস্তু যাতে বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নয়. সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
দশ. বিমানবন্দরগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক লাগেজ সিস্টেম, ইমিগ্রেশন কাউন্টার বৃদ্ধি, আধুনিক স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি ও পুনর্বিন্যাসসহ বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া যাত্রী হয়রানি রোধে কঠোর মনিটরিং এবং সহায়তা ডেস্ক চালু করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক