নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি হতে পারে : প্রেস সচিব
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ আগামী ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে (দায়িত্ব) হ্যান্ডওভার হবে। এটা যদি দেখা যায় যে তিনদিনের মধ্যে এমপিরা শপথ নিয়েছে, নেওয়ার পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে ডাকা হচ্ছে যে, আপনি আসেন, শপথ নেন, নতুন প্রাইম মিনিস্টার হিসাবে। তিন দিনের মধ্যেই এটা হয়ে যেতে পারে। মানে ১৫ ফেব্রুয়ারিতেও হয়ে যেতে পারে, এটা ১৬ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আরও বলেন, আমার মনে হয় না এটা ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে।
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, আমরা গতকাল আপনাদের কাছে পরিষ্কার করেছি যে নির্বাচনের পরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব সরকার দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।
তিনি আরও বলেন, একটা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখবে। যারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে অসৎও উদ্দেশ্যমূলক। তারা এটা নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে৷ আমরা মনে করি যে এ ধরনের বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।
সরকার প্রথম থেকেই জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যারাই নির্বাচিত হবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন, তাদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দিয়ে সরকার তার দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। এটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো সুযোগ নেই।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ১৮০ কার্যদিবসের যে বিষয়টা আলোচনায় এসেছে, সেটাও এর আগে বিভিন্ন সময়ে সরকারের যারা দায়িত্বশীল তারা পরিষ্কার করেছেন যে, ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত যে সংসদ হবে সেখানে সংসদ সদস্যরা সমান্তরালভাবে গণপরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব কাজ করবেন এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটে যদি জুলাই সনদ পাস হয় তাহলে সংস্কারের ধারা-উপধারা কি হয় তা তারা ঠিক করবেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সেখানে কোনো ভূমিকা থাকবে না। সরকার নির্বাচনের পরপরই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর তাদের প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে এবং সেটা যত দ্রুত সম্ভব করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক