মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল
ঋণখেলাপির কারণে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না ।
আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন।
শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করলেও, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর ঋণখেলাপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়ন বাতিল করে।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করলে ২১ জানুয়ারি তা সরাসরি খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি আপিল বিভাগে নিয়মিত লিভ টু আপিল করেন।
২৯ জানুয়ারি আপিল বিভাগের কার্যতালিকার ২ নম্বরে থাকা এই আবেদনটির শুনানি সম্পন্ন হয় এবং রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার রায় ঘোষণা করেন।
আদেশের পর হাসনাত আবদুল্লাহ’র আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন দোলন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, হে আল্লাহ! আপনি বাংলাদেশের সব সৎ ও সাহসী বিচারকদের হেফাজত করুন (আমিন)।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অর্থ চুরি করে ঋণখেলাপি হয়ে তারপর আদালতের মাধ্যমে স্টে নিয়ে পার্লামেন্ট ইলেকশন করার গত আড়াই দশকের প্রাকটিসের কবর রচনা করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল আর কোনো ঋণখেলাপিকে মনোনয়ন দিতে পারবে না। সেই সঙ্গে দ্বৈত নাগরিকদেরও না। আদালতকে অ্যাবিউস করার দিন ও শেষ। নির্বাচন কমিশন বড় দুইটি রাজনৈতিক দলের প্রেসার এ দ্বৈত নাগরিকের প্রশ্নে সংবিধান ব্যাখ্যা করার যে দুঃসাহস সম্প্রতি দেখিয়েছিলেন তাও আর দেখাবার সাহস করবেন না। দুই দলেই দ্বৈত নাগরিক প্রার্থী থাকায় আমরা জামায়াত ও বিএনপির আনহোলি অ্যালায়েন্স দেখেছি ইসিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক