বৈধ-অবৈধ দুই ধরনের মনোনয়নপত্রেই আপিল করা যাবে : ইসি সচিব
নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আমরা অঞ্চলভিত্তিক আপত্তি দাখিল করার জন্য ব্যবস্থা করেছি। যারা বৈধ ঘোষিত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অথবা যাদের অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, উভয়ের ক্ষেত্রেই আপিল করার সুযোগ আছে। এখানে আপিলের ব্যবস্থা আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চালু থাকবে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আপিলের বুথ পরিদর্শন শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব এ কথা বলেন।
সচিব আরও বলেন, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা কমিশনে শুনানির ব্যবস্থা করব। আমাদের অডিটোরিয়ামে শুনানির ব্যবস্থা হবে। আর দেখেন আপনারাও (গণমাধ্যম) তো আছেন। আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করেন। আমরাও আপনাদের সহযোগিতা চাচ্ছি।
প্রার্থীরা হলফনামা দিয়েছেন, হলফনামা আপনারা যাচাই-বাছাই করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এটা তো পরের ব্যাপার। আজকে হচ্ছে আপিল নেওয়ার কথা। হলফনামা যেটা দিয়েছেন সেটাতো প্রসেস অনুযায়ী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে করা হয়েছে। এখন সেই তথ্যের ওপরে যদি কারো কোন আপত্তি থেকে থাকে তাহলে তো আপিল করবেন।
আখতার আহমেদ বলেন, ১ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটার এবং তার যাচাই-বাছাইটাও হোক বা যেটাই হোক না কেন একেকজনের ক্ষেত্রে একেকটা কারণ হবে। কোন একটা নির্দিষ্ট কারণকে তো ব্যাখ্যা করা সম্ভব না বা আমরা বলে দিচ্ছি না যে রেস্ট্রিক্ট করছি না যে এর বাইরে আমরা আপিল নেব না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেকোনো বিষয়ে আপিল করতে পারেন। আমরা কাগজটা নেব, পরে পরীক্ষান্তর সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
অনেক প্রার্থী অভিযোগ করে গেছেন তারা মারধরের শিকার হয়েছেন ১ শতাংশ ভোট নিতে গিয়ে। ওনারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, আপনারা আমাকে বললেন, আমার কানে এটা আসেনি। যদি এরকম অসঙ্গতি হয়ে থাকে তাহলে তো রিটার্নিং অফিসার এটা দেখবেন। এই বিষয়টা তো রিটার্নিং অফিসারের কাছেই। এখন এরপরেও যদি সেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এখানে আপিল করেন, তাহলে আপিলে নিশ্চয়ই সেটা শুনানি হবে। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন মানুষ সংক্ষুব্ধ হতে পারে। সে সংক্ষুব্ধের কারণটা তো ওনারা এখানে উল্লেখ করেই আপিল করবেন। সেটা পর্যালোচনা করা হবে যথাসময়ে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও অনেকের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, আপনারা কীভাবে সেটি ভেরিফাই করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, গণমাধ্যমে যদি খবর এসে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই আপিল হবে, ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করি।

নিজস্ব প্রতিবেদক