Skip to main content
NTV Online

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ
  • অ ফ A
  • রাজনীতি
  • সরকার
  • অপরাধ
  • আইন ও বিচার
  • দুর্ঘটনা
  • সুখবর
  • অন্যান্য
  • হাত বাড়িয়ে দাও
  • মৃত্যুবার্ষিকী
  • শোক
  • কুলখানি
  • চেহলাম
  • নিখোঁজ
  • শ্রাদ্ধ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২০:০৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ২০:১৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২০:০৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ২০:১৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আরও খবর
এবারের নির্বাচনে দেশের মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ : আমীর খসরু
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে নিহত ১ 
তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন তারেক রহমান
বিএনপির জয় নিশ্চিত বুঝেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে : আবদুস সালাম
আ.লীগের নিরপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে থাকবে বিএনপি : মির্জা ফখরুল
১৯৮৯ সালে ‘বিচিত্রা’কে খালেদা জিয়া

আমরা দলীয় স্বার্থকে কখনো মুখ্য করে দেখিনি

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২০:০৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ২০:১৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২০:০৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ২০:১৫, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
১৯৮৯ সালের ২১ জুলাইয়ের সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’, মহিউদ্দিন আহমদের ‘খালেদা’ বই থেকে নেওয়া

পুরো দেশকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গণতন্ত্রের অতন্দ্রপ্রহরী এবং আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অবিচ্ছেদ্য অংশ খালেদা জিয়ার রাজনীতি শুরু হয় ১৯৮২ সালের জানুয়ারিতে বিএনপির সাধারণ সদস্য হিসেবে। ১৯৮৩ সালে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান হন এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই খালেদা জিয়া দৃঢ় ব্যক্তিত্বের আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তৎকালীন এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মুখ্য চরিত্র হয়ে ওঠেন তিনি। রাজনীতির সেই উত্তাল সময়ে ১৯৮৯ সালের ২১ জুলাই সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় ছাপা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার।

এনটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য সেই সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো—

বিচিত্রা : সরকারবিরোধী আন্দোলন বর্তমানে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিরোধের মধ্যে থমকে আছে। আপনার কি মনে হয় দল দুটোর মধ্যে এ বিরোধ মীমাংসার কোনো সম্ভাবনা আছে?

খালেদা জিয়া : জাতীয় প্রয়োজনেই আছে। এ অবস্থার মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। সংকীর্ণ দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনের পথে বাধা সৃষ্টির পেছনে যাদের অসৎ উদ্দেশ্য কাজ করছে, তারও মূল্যায়নের সময় এসেছে। যখন এক দফা প্রণীত হয়, তখন তার সঙ্গে কোনো শর্ত জুড়ে দেওয়া ছিল না। আজ আন্দোলনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি দল বহু দফার কথা বলছে, এক দফার প্রশ্নে নিস্পৃহ রয়েছে। অথচ বর্তমান অবৈধ শাসন শোষণের জগদ্দল পাথর না সরাতে পারলে কোনো দাবি বা দফার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়- এটি একটি প্রমাণিত সত্য। আমরা তাই মনে করি, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের স্বার্থে এক দফার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবাই এগিয়ে এলেই এই মতবিরোধের অবসান সম্ভব।

বিচিত্রা : আপনি কি মনে করেন আওয়ামী লীগের বর্তমান বক্তৃতা বিবৃতিতে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু যতটা সরকার, তার চেয়ে বেশি বিএনপি?

খালেদা জিয়া : এটা শুধু বর্তমানের ঘটনা নয়। অতীতেও এমন দুঃখজনক ঘটনা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। কারণ তাদের মূল টার্গেট সরকার না- বিএনপি। বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনে আমরা দলীয় স্বার্থকে কখনো মুখ্য করে দেখিনি। বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা শুধু এটুকু বলতে চাই, জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর যারা ভেবেছিলেন বিএনপি ধ্বংস হয়ে যাবে, তাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত না হওয়ার কারণে তারা দারুণভাবে আশাহত হয়েছে; বিএনপির বিরুদ্ধে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা আজ নিজেদের ব্যর্থতার দায়ভার সুকৌশলে অন্যের ঘাড়ে চাপানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে স্বাধীনতাবিরোধী ও মৌলবাদের প্রসঙ্গ তুলে দেশবাসীর জ্বলন্ত স্মৃতিকে তারা আড়াল করতে চাচ্ছে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা যারা বলছে, তারা তাদের শাসনামলে কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখেনি। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর আট কোটি মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে চরম বেইমানি করে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না। সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে দেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে মাত্র চারটি সংবাদপত্র প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনের মতো কালাকানুন জারি করে জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আর সংখ্যালঘুদের মন্দির বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হতে পারে না। শত্রু সম্পত্তি আইন জারির মাধ্যমে মানুষকে ভিটেমাটি ছাড়া করে তা নিজেদের স্বার্থে ভোগদখল কোন ধরনের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল? আজ সংগত কারণেই প্রশ্ন আসতে পারে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে কি নিজেদের মানুষের ডাস্টবিনের খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি? বিলাসবহুল জীবন আর রাস্তার কুকুরের সাথে ক্ষুধাক্লিষ্ট সাধারণ লাখ লাখ লোকের অনাহারে মৃত্যু, কলাপাতা দিয়ে লাশ দাফন আর জাল পরে বাসন্তীদের লজ্জা নিবারণের চেষ্টা কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফসল ছিল? জাতির এসব জিজ্ঞাসার উত্তর দেওয়ার দায়দায়িত্ব কাদের? আজ যারা প্রতিনিয়ত ঐক্যের পরিপন্থী কাজ করে মুখে জাতীয় ঐক্যের কথা বলছেন, অন্যায়ভাবে অন্যকে দোষারোপ করছেন, তারা কি বলতে পারবেন মহান মুক্তিযুদ্ধকে সামনে রেখে গড়ে ওঠা ইস্পাতকঠিন জাতীয় ঐক্যকে দলীয় কোটারি রাজনীতির স্বার্থে ধ্বংস করে কারা জাতির ইতিহাসে এক কলংকিত অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছিল? আট কোটি মানুষের স্বাধীনতাকে একটি দলের স্বাধীনতা হিসেবে ভোগ করেছিল? আজকে যারা স্বাধীনতাবিরোধী ও মৌলবাদ প্রতিরোধের কথা বলছেন, তাদের কাছেই জাতির প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক-কেন স্বাধীন দেশের মাটিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার করা হয়নি?

বিচিত্রা : পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ির অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধেও করা হয়। আওয়ামী লীগ নেত্রী বিচিত্রাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আক্রান্ত হলেই কেবল তারা প্রত্যুত্তর দিয়ে থাকেন।

খালেদা জিয়া : তার এই বক্তব্য সঠিক নয়- এ দেশের মানুষ এর সাক্ষী। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে আন্তরিকতা তাঁরাই বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ করেছেন। তারাই আগ বাড়িয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের সাথিদের সমালোচনায় মেতে উঠেছেন। আমাদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক অসংলগ্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ করার আগে আমরা তাদের সমালোচনা করেছি, এর একটি উদাহরণও পাওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগ নেত্রী বলেছেন বিএনপির আমলে দেশে গণতন্ত্র ছিল না। অথচ বাস্তব সত্য হচ্ছে একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আমরাই করেছি। ছিল তো বাকশাল, আওয়ামী লীগ নামের রাজনৈতিক দলটি এলো কোত্থেকে? আওয়ামী লীগ নামের স্বীকৃতি তারা আমাদের কাছ থেকেই পেয়েছেন।

বিচিত্রা : আপনারা সরকারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতার কথা বলেন। এ অভিযোগের ভিত্তি কী? 

খালেদা জিয়া : অবৈধ সরকারকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন নয়- যারা যাবে তারা জাতীয় বেইমান, জাতির কাছে দেওয়া এই অঙ্গীকার থেকে সরে যেয়ে, আন্দোলনকে মাঝপথে ফেলে হঠাৎ করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে গেল ১৯৮৬ সালে। অনিবার্য পতনের হাত থেকে রক্ষা পেল এই অবৈধ সরকার। আন্দোলনকারী জনগণের উপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়ে পাতানো প্রহসনের সে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো এবং তারপরই শুরু হলো আরেক খেলা, একে অপরকে ভোট চোর ভোট ডাকাত বলে অভিহিত করা। সমগ্র জাতির অপরিসীম ত্যাগ আর শহিদের রক্তে ভেজা আন্দোলনকে মাঝপথে থমকে দিয়ে তাঁরা বললেন- নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। তাঁরা বললেন- ভোট ডাকাতির সংসদে যাবেন না, স্পিকারের কাছে শপথ নেবেন না। পাতানো খেলার এক পর্যায়ে এসে তাঁরা পাল্টা স্পিকার মনোনয়ন দিলেন। তারপর এরশাদ সরকারের স্পিকারের কাছে শপথও নিলেন, সংসদেও বসলেন। গণবিচ্ছিন্নতা এড়াতে তাঁরা ঘোষণা দিলেন সংসদের ভেতরে বাইরে আন্দোলন করবেন। সংসদে 'ওয়াক আউট-ওয়াক ইন' করলেন। পাতানো এই প্রক্রিয়ার মাঝে সংসদে অবৈধ সরকার গণবিরোধী সপ্তম সংশোধনী পাশ করে নিল। রাজপথে অবৈধ সংসদ বাতিলের দাবিতে আমরা যারা ছিলাম আপামর গণমানুষের সাথে, তাদের দাবি ও আন্দোলনের মুখে অবৈধ সংসদ বাতিল হওয়ার পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত তাঁরা সংসদ টিকিয়ে রাখার সকল চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলেন। তাঁরা এখন বলছেন দেশে ১৪ বছর ধরে সামরিক শাসন চলছে। তাহলে ১৫ দলীয় জোট ভাঙার ক্ষতি স্বীকার করে সামরিক শাসকের অধীনে ৮৬'র নির্বাচনে কেন তাঁরা অংশ নিলেন? তাঁরা কি এভাবেই সামরিক শাসকের সহযোগী শক্তির ভূমিকায় অবতীর্ণ হননি? ৮৭-তে আবারও দুর্বার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে ওঠে। সরকার সংসদ ভেঙে দিতে বাধ্য হয়। তারাও ইতিমধ্যে আন্দোলনে ফিরে আসে। চট্টগ্রামে গণহত্যার পর সকল স্তরের মানুষের জঙ্গি সমাবেশ হলো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। আমরা লাখো জনতার সঙ্গে রাজপথে মিছিলে নেমে এলাম। অসত্য অজুহাতে আট দলের নেত্রী এলেন না। এর আগে ৮৬-এর নির্বাচনের পূর্বেও বায়তুল মোকাররমে আমাদের একত্রিত হওয়ার কথা ছিল। তিনি আসেননি। যখনই জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়, সরকার পতনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, ঠিক সে মুহূর্তে সরকারকে টিকিয়ে রাখতে তিনি সরে যান। যখন জনগণ রাজপথে থাকে, তিনি তখন ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত হয়ে যান। ৮৭-এর আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশবাসী তথা বিশ্ববাসী অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ধারা আর কিছুদিন অব্যাহত রাখলে অনিবার্যভাবে অবৈধ সরকারের পতন হতো।

বিচিত্রা : আপনাদের মতো এখনো যারা এক দফার আন্দোলনে আগ্রহী রয়েছে- যেমন পাঁচ দলের কথাই ধরা যাক, তাদের সঙ্গে বিএনপির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন কেন সম্ভব হচ্ছে না?

খালেদা জিয়া : জাতীয় দাবি এক দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রশ্নে আমাদের কোনো সংকীর্ণতা নেই। অতীতে আমরা পাঁচ দলের সঙ্গেও এক দফার আন্দোলনে একসঙ্গে কর্মসূচি পালন করেছি। অতীতে যে প্রেক্ষাপটে আমরা এক দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করেছি তা আজও বিদ্যমান। কিন্তু এ মুহূর্তে গৌণ কিছু বিষয় নিয়ে পাঁচ দল প্রশ্ন তুলছে, যার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা আশা করব তাঁরা এক দফার পথে নতুন উপসর্গ সৃষ্টি না করে আমাদের সঙ্গে এগিয়ে আসবেন।

বিচিত্রা : ৮ দলের মতো পাঁচ দলও এক্ষেত্রে সমস্যা হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্কের কথা বলে থাকে। আপনারা যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেন, তথাপি বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের সঙ্গে আপনাদের সমঝোতার আভাস পাওয়া যায়। বিষয়টি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

খালেদা জিয়া : বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য জাতির সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি। সংবাদপত্রে তা প্রকাশিতও হয়েছে। তাই এ প্রশ্নে বিএনপিকে নিয়ে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। দুঃখজনকভাবে জনতার দাবিকে রাজপথে ফেলে যে আওয়ামী লীগ জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনে গেল, সংসদে বসল, তারা আজ ভিন্ন সুরে কথা বলছে। নিজেদের স্বার্থে যারা জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করতে পারে, মুচলেকা দিয়ে আপস করতে পারে, তারা নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখছে না। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপিতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কোনো সুযোগ নেই। আমরা ধর্মের নামে রাজনীতির মতো ধর্মের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রেরও বিরোধী। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিয়ে বর্তমান স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রাখার অধিকার সকল রাজনৈতিক দলেরই আছে।

ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিবিরের সঙ্গে ছাত্রদলের সম্পর্কের অভিযোগ অমূলক। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। তাই ছাত্রদলের সঙ্গে তাদের সমঝোতা বা ছাত্রদলকে ভোট দেওয়ার প্রশ্ন অমূলক। উদাহরণস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলা যায়। ছাত্রদল সেখানে সংগ্রাম পরিষদ ও শিবিরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র কয়েক ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছে। শিবির ভোট দিলে এ অবস্থা হতো না। ছাত্র সংঘর্ষের ক্ষেত্রেও দেখা যায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদল কর্মীরা শিবিরের আক্রমণের শিকার হয়েছে। চট্টগ্রামে তারা ছাত্রদল কর্মীকে আপহরণ করেছে।

বিচিত্রা : বিরোধী দলগুলোর মধ্যে দফাকেন্দ্রিক বিতর্ক অমীমাংসিত রেখে বিএনপির পক্ষে এককভাবে আন্দোলন করে সাফল্য অর্জন কি সম্ভব?

খালেদা জিয়া : এ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি আন্দোলন করে আসছে। প্রথম অবস্থায় বিরোধী কোনো জোটও গঠিত হয়নি। ১৯৮৩ সালের ২৩ মে সামরিক শাসনকে উপেক্ষা করে শহিদ জিয়ার মাজার থেকে আমরা বিশাল মিছিল করেছি এবং সেটি ছিল এককভাবে। এরপর বিভিন্ন জোট গঠন, লিয়াজোঁ কমিটি তৈরি, যুগপৎ আন্দোলনের পর্যায় পেরিয়ে আওয়ামী লীগ যখন '৮৬-এর সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়, সংসদ নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তখন রাজপথে বিএনপিই ছিল। সব ধরনের নির্যাতন আমাদের উপর দিয়েই গেছে। এ ধরনের বিভিন্ন বিপর্যয়কর মুহূর্তে আমরা এককভাবেই আন্দোলন করেছি। তবে আমরা অবশ্যই ঐক্যে বিশ্বাসী। সেজন্য আমরা সকলকে আহ্বান করছি-যারা আসবে ভালো কথা। শেষ পর্যন্ত যদি কেউ না আসে, তাহলে প্রয়োজনে আমরা এককভাবেই গণতন্ত্রের আন্দোলন চালিয়ে যাব।

বিচিত্রা : সেক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গণসংযোগ সফর করা সত্ত্বেও আপনারা সরকার পতনের লক্ষ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছেন না কেন? বিএনপির এ অপেক্ষা কীসের জন্য।

খালেদা জিয়া : অবৈধ সরকারের পতনের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমি ও দলীয় নেতৃবৃন্দ গণসংযোগ সফর করে আসছি। দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কাছে আমরা আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রেখেছি। আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন আমরা রাত তিনটার সময়ও জনসভায় বক্তব্য রেখেছি হাজার হাজার মানুষের সামনে। আমরা অপেক্ষা করে আছি এটা ঠিক নয়। সংগঠনকে বৃহত্তর আন্দোলনের লক্ষ্যে আরও সুসংগঠিত করার কাজ চলছে অব্যাহতভাবে।

বিচিত্রা : আপনারা বরাবরই বলে আসছেন বর্তমান সরকার অবৈধ ও গণবিচ্ছিন্ন। অথচ এই 'অবৈধ' সরকার ‘গণবিচ্ছিন্ন’ অবস্থায়ও সাত বছর ধরে ক্ষমতায় টিকে আছে। এটা কি সরকারের সাফল্য, নাকি বিরোধী দলগুলোর ব্যর্থতা?

খালেদা জিয়া : নিশ্চিতভাবেই এই সরকার অবৈধ ও গণবিচ্ছিন্ন। অনেক কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্র করেও এ সরকার বৈধতা অর্জন করতে পারেনি। চর দখলের কায়দায় ও জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত তথাকথিত নির্বাচনগুলো ছিল দেশবাসীর সঙ্গে এক নির্লজ্জ প্রতারণা। বিদেশি সাংবাদিকরা সেই তথাকথিত নির্বাচনগুলোকে ‘গণতন্ত্রের ট্র্যাজেডি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। বর্তমান সরকার বন্দুকের জোরে রাষ্ট্রক্ষমতা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। আজও দেশের মানুষ এ সরকারকে তাদের বৈধ সরকার মনে করে না। এটা অবশ্যই আন্দোলনের সাফল্য। পাশাপাশি এটাও সত্য যে, চূড়ান্ত বিজয়ের প্রান্তে অনেকবার এই আন্দোলন বাধাগ্রস্ত হয়েছে বিরোধী রাজনীতির নামধারী কিছু দল ও ব্যক্তির বিশ্বাসঘাতকতার কারণে। দীর্ঘ এই সংগ্রামের পথে এই ষড়যন্ত্রের মাশুল দিতে হচ্ছে দেশের মানুষকে।

বিচিত্রা : বিগত ছয় বছরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা ও পিছুটানের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রেক্ষিতে সামগ্রিকভাবে বিরোধী নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থাযোগ্যতা যেভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে জনগণের বৃহত্তর অংশকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা কি কঠিন হবে না?

খালেদা জিয়া : আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, ষড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতার কালিমায় বিএনপি কলঙ্কিত নয়। আন্দোলনের প্রশ্নে ষড়যন্ত্রের কারণে বিরোধী নেতৃত্বের একটি অংশের বিশ্বাসযোগ্যতা বর্তমানে প্রশ্নের সম্মুখীন। আমাদের রাজনীতির ইতিহাসে অতীতেও যে জনগণকে এ অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়নি তা নয়। কিন্তু জাতির অস্তিত্বের প্রয়োজনে সংগ্রামী মানুষ বিকল্প নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে, সংগ্রাম করেছে এবং জয়ী হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতা এমন অনেক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে।

বিচিত্রা : স্বল্পতম সময়ে বিএনপি বেশ কয়েকবার ভাঙনের মুখোমুখি হয়েছে। এতে কি ধারণা করা যায় বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো দৃঢ় নয় এবং দল হিসেবে বিএনপি এখনো পরিণত নয়?

খালেদা জিয়া : বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। কখনো গণতন্ত্রের নামে, কখনো আদর্শের কথা বলে। ষড়যন্ত্রকারীদের অসত্য ভাষণ ধোপে টেকেনি। বর্তমানে তাদের অবস্থান দেখুন- উদ্দেশ্য পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। স্বল্প সময়ের মধ্যে বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ ও জনপ্রিয় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। দু'একজন নেতার বিচ্যুতি বা আপসকামিতা দলের জন্য কোনো সমস্যাই নয়।

বিচিত্রা : মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা শোনা যাচ্ছে। অনেকের মতো আপনারাও বলে থাকেন- আওয়ামী লীগ বর্তমানে আন্দোলনের চেয়ে নির্বাচনে বেশি আগ্রহী। সেক্ষেত্রে নিরপেক্ষতার গ্যারান্টি পেলে আপনারা নির্বাচনে যাবেন কি?

খালেদা জিয়া : বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক নিয়মতান্ত্রিক দল। আমরাও নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাস করি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার পরিবর্তনের অনিবার্য শর্ত।

আমরা ইলেকশন চাই, সিলেকশন নয়। আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন চাই। প্রেসিডেন্ট পদ থেকে এরশাদের পদত্যাগ ছাড়া তা সম্ভব নয়।

বিচিত্রা : কখনো ক্ষমতায় গেলে সরকারের বিভিন্ন সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে অষ্টম সংশোধনী সম্পর্কে আপনারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

খালেদা জিয়া : যেখানে সরকারকেই স্বীকার করা হয় না, সেখানে তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সিদ্ধান্তের কথা তো আরও পরে আসবে।

বিচিত্রা : দেশে গণতন্ত্র, নির্বাচন ইত্যাদি প্রশ্নে আপনিও মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্টিফেন সোলার্জের সঙ্গে কথা বলেছেন। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এ ধরনের বিদেশ নির্ভরতা কতটা সংগত?

খালেদা জিয়া : বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ। আমাদের হাজারো সমস্যা রয়েছে। আমরা সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। বর্তমান বিশ্বরাজনীতির মেরুকরণেও সমঝোতা ও সহযোগিতার প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র একটি বৃহৎ শক্তি। শুধু নির্বাচন নয়, তাদের সাহায্য-সহযোগিতা এদেশে আসে, সেগুলো যাতে জনগণের সরকারের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানো হয়, সেজন্যও আলাপ-আলোচনা প্রয়োজন। দেশের প্রকৃত অবস্থা বিশ্বকে জানানো আমাদের কর্তব্য। সেই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, বাইরের কেউ এসে আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারে না, করে দেবেও না। আমাদের সমস্যার সমাধান আমাদেরকেই করতে হবে।

বিচিত্রা : জাতীয় পার্টির সঙ্গে বিএনপির গঠন প্রক্রিয়া ও শ্রেণিগত চরিত্রের সাদৃশ্যের কথা বলা হয়। এ প্রসঙ্গে আপনার বক্তব্য কী?

খালেদা জিয়া : এ ধরনের কথার কোনো যুক্তি নেই। মরহুম জিয়া কোনো গণতান্ত্রিক সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসেননি। এ দেশের জনগণ তাঁকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। অন্যদিকে, এরশাদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে সরিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। যাদের তিনি নিজেই দুর্নীতিবাজ বলেছেন, তাদেরকে নিয়েই তাঁকে পরবর্তী সময়ে দল গঠন করতে দেখা যায়। কাজেই জিয়া ও এরশাদের দল গঠনের প্রক্রিয়া অবশ্যই ভিন্ন।

বিচিত্রা : বিএনপিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যানের হাতে কেন্দ্রীভূত, এ কথা সবাই বলেন। এটি কতটুকু গণতান্ত্রিক?

খালেদা জিয়া : সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যানের হাতে কেন্দ্রীভূত, এ কথা সঠিক নয়। অতীতে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো সকলের মতামত সাপেক্ষে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিচিত্রা : আপনাদের ছাত্র সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় হত্যা, সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে। ৯ জন ছাত্রদল নেতাকে সন্ত্রাসের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার বক্তব্য?

খালেদা জিয়া : বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ছাত্র সংগঠন। স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমাদের ছাত্ররাই সবচেয়ে সাহসী ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে এরশাদশাহীর লক্ষ্যই হলো ছাত্রদলকে ধ্বংস করে দেওয়া। সে কারণেই তারা ছাত্রদলের উপর বিভিন্ন দমন ও নির্যাতনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। দমননীতির সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অন্যায়ভাবে ছাত্রদল নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আপনারা জানেন, বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা চলছে। আমরা ইতিমধ্যে ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছি।

খালেদা জিয়া বিএনপি সাক্ষাৎকার

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: খালেদা জিয়া

১৭ জানুয়ারি ২০২৬
খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী রাষ্ট্রনায়ক : ড. মঈন খান
১৬ জানুয়ারি ২০২৬
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ইচ্ছাকৃত অবহেলা করা হয়েছে : ডা. এ এফ এম সিদ্দিক
১৬ জানুয়ারি ২০২৬
খালেদা জিয়ার রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না : মহিউদ্দিন আহমদ
  • আরও
সর্বাধিক পঠিত
  1. মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে সরাসরি বিতর্কের আহ্বান মেঘনা আলমের
  2. আদালতে কাঁদলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
  3. চার লাখ ৩২ হাজার প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন
  4. সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
  5. ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে রিট
  6. ক্ষমতায় এলে ১ মাসের মধ্যে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণা : আসিফ মাহমুদ

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x