জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গুলশানের পথে তারেক রহমান
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গুলশানের পথে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আনুমানিক রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে গুলশানের পথে রওনা হন। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে বহন করা গাড়িটি জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করে। সেখানে তিনি বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে তারেক রহমানের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৬ মিনিটের দিকে তারেক রহমানের পক্ষে দলীয় নেতৃবন্দ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরার পরদিন আজ বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাবার কবর জিয়ারত করেন। বাবার সমাধি থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন।
আজ বেলা ২টা ৫২ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশক পর বাবার কবর জিয়ারতে আসেন তারেক রহমান। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবার কবর জিয়ারত করেছিলেন।
আগামীকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন তারেক রহমান। কবর জিয়ারত শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে যাবেন। সেখানে তিনি নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) রেজিস্ট্রেশন ও ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। নির্বাচন ভবনের কার্যক্রম শেষে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) যাবেন। সেখানে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক