জামালপুর স্পেশাল ট্রেনে ঢাকায় হাজারো নেতাকর্মী
দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে উৎসবে মাতোয়ারা জামালপুর। প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করেছে ‘জামালপুর স্পেশাল ট্রেন’। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর ৫টায় ট্রেনটি জামালপুর টাউন রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
জামালপুর জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী এই বিশেষ ট্রেনে করে ঢাকায় যাচ্ছেন। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মঞ্জুরুল আহসান সুমনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে এই ট্রেনটি বরাদ্দ দেয়। ১০টি কোচে ৫৩০টি আসন থাকলেও তিল ধারণের জায়গা নেই ট্রেনে।
জানা গেছে, নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে দুই লাখ ১৬ হাজার ৫৬৩ টাকা ভাড়া পরিশোধ করে এই ট্রেনটি রিজার্ভ করা হয়েছে। যাত্রাপথে ট্রেনটি ময়মনসিংহ, গফরগাঁও, জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কমলাপুর পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওই দিনই সন্ধ্যা ৭টায় ট্রেনটি ঢাকা থেকে ফিরতি যাত্রা করবে। স্পেশাল ট্রেন ছাড়াও জেলার সাতটি উপজেলা থেকে প্রায় ২০০ বাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্টেশনে অপেক্ষমাণ শহর বিএনপির সদস্য তানজিরুল আলম বাবন বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি নতুন করে দেশ সাজাবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মঞ্জুরুল আহসান সুমন জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্যাতন ও কষ্ট ভুলে আজ শীত উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী শুধু তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন।
গত কয়েক দিন ধরেই জামালপুরের রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সবার গন্তব্য এখন একটাই—রাজধানীর রাজপথ, যেখানে বীরের বেশে ফিরছেন তাদের নেতা।

আসমাউল আসিফ, জামালপুর