‘এম এন লারমার আদর্শ ধারণ করতে হবে’
নানাবিধ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে জুম্ম জনগণের অবিসংবাদিত নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার (এম এন লারমা) ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রভাতফেরি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাঙামাটি শিল্পকলা একাডেমি থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমিতে এসে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রভাতফেরি শেষে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙামাটি জেলার সভাপতি সুবর্ণ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাকমা সার্কেল প্রধান ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও এমএন লারমার ছোট ভাই জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), আদিবাসী ফোরামের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, অধ্যাপক মংসানু মারমা, কবি ও সাহিত্যিক শিশির চাকমা।
বক্তারা এম এন লারমার আদর্শকে বুকে লালন করে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তারা বলেন, এখন আমাদের অস্তিত্বের সঙ্কট। এই সঙ্কট মোকাবেলায় এমএন লারমার আদর্শে উজ্জীবিত হতে হবে। জুম্ম জনগণের জন্য তাঁর যে ত্যাগ, সেই ত্যাগের মর্ম উপলব্ধি করে আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর নিহত হন জুম্ম জনগণের নেতা এম এন লারমা।

ফজলে এলাহী, রাঙামাটি