ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চান হাইকোর্ট
মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজা ভোগকালে মারা যাওয়া গোলাম আযমের স্ত্রী আফিফা আজমসহ আত্মীয়স্বজনদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়ার ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ আদালতের নজরে আনলে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদেশে স্বরাষ্ট্রসচিব, চেয়ারম্যান সিভিল এভিয়েশন, পুলিশের উত্তরা জোনের উপকমিশনার, বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শাহজালাল বিমানবন্দরের গ্রুপ ক্যাপ্টেন জাকির হোসেন, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইফতেখারকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী ১২ মে এই বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি আদালতের নজরে আনা আইনজীবী ব্যারিস্টার মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘গত ৯ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিকে গোলাম আযমের স্ত্রী ও স্বজনদের এয়ারপোর্ট থেকে বিদেশে যেতে না দিয়ে ফেরত পাঠানোর খবর ছাপা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁরা বিমানবন্দরে পৌঁছার পর তাঁদেরকে বিশেষ ভিআইপি মর্যাদায় রাখা হয়েছিল। এবং বিমানবন্দর থেকে বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু গোয়েন্দাদের তৎপরতায় পরক্ষণে তাঁদের ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে এর আগেই তাঁদেরকে ভিআইপি মর্যাদায় এয়ারপোর্টের ভিআইপি লাউঞ্জে বসানো হয়।’

জাকের হোসেন