রাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয়দের মারামারি
বাস ভাড়া নিয়ে গালাগাল করায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয়দের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বাসটি ভাঙচুর করে।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রসেনজিৎ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এমরানসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
পাশাপাশি রাজশাহী-ঢাকাগামী শিশির পরিবহনের একটি বাসের দুই হেলপারও আহত হয়েছে। তবে এই দুজনের নাম জানা যায়নি।
আহত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার সকালে নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনালে ভাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী শিশির পরিবহনের দুই হেলপার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী তাফসুল ইসলাম পলাশ এবং চতুর্থ বর্ষের তারেককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।
এর জের ধরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে শিক্ষার্থীরা শিশির পরিবহনের ওই বাসটি আটক করে হেলপারকে মারধর করে।
এ সময় অন্যান্য বাসের শ্রমিক এবং স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিশির পরিবহনের ওই বাসটি ভাঙচুর করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে প্রক্টর অধ্যাপক মুজিবুল হক আজাদ বলেন, বাসের হেলপার শিক্ষার্থীদের গালাগাল করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হেলপারকে মারধর করে। এ নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে আমরা গিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে দেই।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, সামান্য একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে বাসের হেলপারদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মারামারি হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা হেলপাদের পক্ষ নেয়। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে।

রাবি সংবাদদাতা