কুড়িগ্রামে নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুড়িগ্রামের ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমারসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে প্লাবিত হয়ে পড়ছে চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা।
ধরলা নদীর প্রবল স্রোতে জেলা সদরের বাংটুর ঘাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩০ মিটার বাঁধ ধসে গেছে।
এ ছাড়া নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন দেখা দিয়েছে যাত্রাপুর ইউনিয়নের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বাংটুর ঘাট এলাকার মজিবর রহমান জানান, সকাল থেকে পানির তীব্র স্রোতে পাউবোর তীররক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়। পরে পাউবোর লোকজন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বালির বস্তা ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পাট, সবজি, কলা ও আমন বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে বেশ কিছু পুকুর ও জলাশয়ের মাছ।
-25.06.jpg)
কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর, ঘোগাদহ, উলিপুরের সাহেবের আলগা, হাতিয়া, চিলমারীর রানীগঞ্জ, অষ্টমীর চর, নয়ারহাটসহ কয়েকটি ইউনিয়নের চরগ্রামগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলোতে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে রাতের মধ্যে চরাঞ্চলের বেশির ভাগ গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়বে।
পাউবো জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে পানি ২০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

হাসিবুর রহমান হাসিব, কুড়িগ্রাম