আ. লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ
ফরিদপুরে সালথা উপজেলার আট ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মে। এই নির্বাচন উপলক্ষে এরই মধ্যে মনোনায়নপত্র গ্রহণ, জমা ও বাছাই সম্পূর্ণ হয়েছে।
এদিকে ইউপি নির্বাচন কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সঙ্গে হুমকি-ধমকি, হামলা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে সরকারি দলের নেতাকর্মী ও প্রার্থীর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এনায়েত হোসেন অভিযোগ করেছেন, তিনি ও তাঁর সমর্থকরা প্রচারের সময় হামলা ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। তাঁর একটি মোটরসাইকেল আটক করে রেখেছে সরকারি দলের সমর্থকরা।
গতকাল বধুবার ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন। এ দিনও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এনায়েত হোসেনের লাঞ্ছিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হাতে। এ দিন এনায়েতের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলে দেওয়া হয়। তাঁর গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা হয় বলেও জানান এনায়েত।
এ বিষয় নিয়ে এনায়েত হোসেন নিজ বাড়ি ইউছুপদিয়াতে গতকাল বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। এলাকার সংসদ সদস্য উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বাসায় গিয়ে দোয়া নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি।’
এনায়েত হোসেন আরো বলেন, ‘নির্বাচনে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করব বলে আমার বিশ্বাস। আমার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ফারুকুজ্জামান বুঝতে পারছেন আমি এই নির্বাচনে জয়লাভ করব। তাই যাতে নির্বাচন না করতে না পারি তার জন্য বার বার আমাকে লাঞ্ছিত ও হামলা করছে। আমার নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’
এনায়েত হোসেন সুষ্ঠু ভোট ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ফারুকুজ্জামান বলেন, ‘এনায়েত জামায়াতে ইসলামীর লোক। তাঁর ভাইয়ের নামে মামলা আছে। তাঁর উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। তিনি ও তাঁর ভাই শিপন উপজেলায় পিস্তল নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং আমার লোকজনের উপর হামলা করে। এ কারণে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন আমার সমর্থকদের সঙ্গে তাদের সামান্য সমস্যা হয়েছে।’

সঞ্জিব দাস, ফরিদপুর