সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা সুপারকে গলাকেটে হত্যা
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নুরনগরে একটি মাদ্রাসার সুপারকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ছুটি হওয়ার পর মাদ্রাসায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ওই মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ দাবি করেছে।
নিহত মাওলানা বাবুল আকতার (৪৭) পাঁচ বছর ধরে ইউনিয়নের নুরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় সুপার পদে চাকরি করছিলেন। মাদ্রাসার কাছে ভুরুলিয়া ইউনিয়নের রামজীবনপুর গ্রামে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকতেন। তাঁর লাশ শ্যামনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল আসাদ দাবি করেছেন, বাবুল আক্তার দুপুরে ক্লাস শেষ করে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় নুরনগর গ্রামের আবুল কালাম (২৩) তাঁর কক্ষে ঢুকে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করেন। হত্যার পর পরই তিনি হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো দা নিয়ে পালিয়ে গেছেন।
এসআই বলেন, ‘আবুল কালাম জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। হত্যার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
এসআই আরো জানান, আবুল কালামকে ওই মাদ্রাসায় দপ্তরি পদে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না দিয়ে তাকে নৈশপ্রহরী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সুপারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। প্রতিশোধ নিতে সে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুভাষ চৌধুরী, সাতক্ষীরা