গণসংযোগে ককটেল নিক্ষেপ, আ. লীগের প্রার্থীসহ আহত ৫
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আবদুল বারী খানের গণসংযোগে ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রার্থী বারী খানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় নওহাটা আনসার ক্যাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে মানিক নামের এক আওয়ামী লীগকর্মীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগকর্মীরা স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করেছে।
ওই ঘটনায় আহত অন্যরা হলেন, নওহাটা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ওয়াজেদ আলী, পবা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুনসুর আলী ও নওহাটা পৌর যুবলীগের সভাপতি এমদাদ হোসেন। ককটেল হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে রাত পৌনে ৮টার দিকে নওহাটা বাজার থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে পবা থানার সামনে এসে জড়ো হন। এর পরই নওহাটা বাজারে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার সন্ধ্যার পর নওহাটা পৌরসভার পুটিয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে (আনসার ক্যাম্প এলাকায়) কয়েকজন কর্মী-সমর্থক নিয়ে গণসংযোগ করছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল বারী খান। এ সময় অতর্কিতভাবে কে বা কারা একটি ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে আবদুল বারী খানসহ পাঁচজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে এ ঘটনার জন্য বিএনপি ও জামায়াতকে দায়ী করে দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, ‘বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা পৌর নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ওপর হামলার পথ বেছে নিয়েছে। তাদের সেই অপতৎপরতা কঠোর হাতে প্রতিরোধ করা হবে।’

শ. ম সাজু, রাজশাহী