স্থগিতাদেশের নথি পৌঁছায়নি, সিংগাইরে মনোনয়নপত্র জমা প্রার্থীদের
মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌর সভায় শেষ দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি মনোনীতসহ ছয় মেয়র পদপ্রার্থী। আর একই সময়ে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে সাত মহিলা কাউন্সিলর এবং ৩৭ কাউন্সিলর মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সম্প্রতি হাইকোর্ট এ উপজেলার নির্বাচন ছয় মাসের জন্য স্থগিত করলেও সেই আদেশের নথিপত্র না আসায় মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মেয়র পদপ্রার্থীরা বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মেয়র পদপ্রার্থীরা হলেন- বর্তমান মেয়র বিএনপি মনোনীত অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জয়, আওয়ামী লীগ মনোনীত আবু নঈম বাশার, খেলাফতে মজলিশের মাওলানা আশরাফ আলী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) সাবেক মেয়র মীর মো. শাজাহান, স্বতন্ত্র মো. তোফাজ্জল হোসেন ও মো. হাফিজ উদ্দিন।
বিএনপি থেকে দুজন মনোনয়ন চাইলেও শেষ পর্যন্ত অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জয় মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান বলেন, ‘সিংগাইর পৌর সভার নির্বাচন ছয় মাস স্থগিত করেছে হাইকোর্ট বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু স্থগিতাদেশের নথিপত্র আসেনি। দাপ্তরিকভাবে নথিপত্র না পেয়ে নির্বাচন স্থগিত করা সম্ভব নয়। এ কারণে তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনী কার্যক্রম করা হচ্ছে।’ হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ এলে সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বর্তমান মেয়রের ছোট ভাই মো. মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া গত ২১ জুন সিংগাইর পৌরসভার ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ অভিযোগ এনে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল বুধবার বিকেলে হাইকোর্ট ছয় মাস পৌর সভার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেন।

আহমেদ সাব্বির সোহেল, মানিকগঞ্জ