ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে হত্যা মামলায় আজিম উদ্দীন নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসির দড়ি ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, আসামি ইয়াকুব আলী, সলিম উদ্দীন, মসিবর রহমান, রোজিনা বেগম, সাজেদা বেগম ও মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের বেকসুর খালাস দেন আদালত।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৪ জুন আসামি আজিম উদ্দীন ও তার দল প্রতিবেশী আবদুল খালেকের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন এবং বাড়ির লোকজনকে গালিগালাজ করেন। এ সময় আবদুল খালেকের ছোট ভাই আবদুল মালেক বাধা দিতে গেলে আজিম উদ্দীন কুড়াল দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ মারেন। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাত দিনের মাথায় ১০ জুন রাতে আবদুল মালেক মারা যান। এ ঘটনায় আবদুল খালেক বাদী হয়ে আজিম উদ্দীনসহ সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করে। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে সবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
বাদীর অভিযোগ, পুলিশের অভিযোগপত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য-প্রমাণে আজিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

মো. লুৎফর রহমান মিঠু, ঠাকুরগাঁও