কোকেন আমদানি, ক্ষতিপূরণ মামলার পর আদালতের সমন জারি
চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন পাঠানোর ঘটনায় ১০ প্রতিষ্ঠিান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতপূরণ মামলা করেছেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহম্মদ।
আজ রোববার সকালে তৃতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করলে আদালত ১০ আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।
মামলায় বিবাদী করা হয়েছে মো. গোলাম মোস্তাফা সোহেল,ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া এবং কসকো শিপিং লাইনসহ সাতটি প্রতিষ্ঠান। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুল জানান, খানজাহান আলী লিমিটেডের অজান্তে কোম্পানির ও বাদীর নাম ব্যবহার করে কোকেন আমদানি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন ব্যক্তি ও সাত প্রতিষ্ঠান পরস্পর যোগসাজশে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে বাদীর সামাজিক মর্যাদাহানি, আর্থিক ক্ষতি ছাড়া নানাভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে জানান বাদীর আইনজীবী।
২০১৫ সালের ৬ জুন রাতে চট্টগ্রাম বন্দরে সানফ্লাওয়ার তেল ঘোষণা দিয়ে আনা একটি কনটেইনার সিলগালা করে কাস্টমস। ৮ জুন কন্টেইনারটি খুলে ১০৭টি তরল পণ্যের ড্রাম উদ্ধার করে প্রাথমিক পরীক্ষা চলিয়ে কোকেনের অস্তিত্ব পায়নি কোনো সংস্থা। পরর্বতীতে শুল্ক গোয়ন্দো অধিদপ্তর ঢাকায় উন্নত ল্যাবে কেমিকেল পরীক্ষা চালিয়ে কোকেনের অস্থিত্ব পায়। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলীর মালিক নুর মোহাম্মদসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। এ ঘটনায় নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৫ সালরে ১৯ নভম্বের মাদক আইনে করা মামলায় নূর মোহম্মদকে বাদ দিয়ে আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু আদালত সেটি গ্রহণ না করে মামলা অধিকতর তদন্তের জন্য র্যাবকে নির্দেশ দেয়। গত ৩ এপ্রিল র্যাব-৭-এর মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতা মহিউদ্দন ফারুকী নূর মোহম্মদসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ১১ জুলাই নূর মোহাম্মদ উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

আরিচ আহমেদ শাহ, চট্টগ্রাম