ছাত্রলীগের সংঘর্ষে আহত চমেক ছাত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনক
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহাদি আকিবের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী ছাত্রলীগনেতা এনামুল হাসান সীমান্ত ও রক্তিম দেকে গ্রেপ্তারের পর তাদের রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরোয়ার জাহান রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে জেলগেইটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।
এর আগে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে নগরীর পাচঁলাইশ থানায় মামলা করেন ছাত্রলীগের একটি অংশের নেতা তৌফিকুর রহমান। ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে চমেক ক্যাম্পাসে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগের একটি অংশ।
গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির জের ধরে পরদিন শনিবার সকালে চমেক হাসপাতাল এলাকায় আরেক দফা সংঘর্ষ বাধে। এতে তিন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। এর মধ্যে মাহাদি আকিবের অবস্থা গুরুতর।
চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকিবের মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আহত তিন ছাত্রের মধ্যে মাহাদি আকিবকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে মাহফুজুল হক ও নাইমুল ইসলাম কিছুটা শঙ্কামুক্ত।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে যায়। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি কাজ শুরু করেছে।
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এক পক্ষ আরেক পক্ষকে কুপিয়ে আহত করে। ঘটনার পর হাসপাতাল ও ক্যাম্পাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরিচ আহমেদ শাহ, চট্টগ্রাম