মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু
সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তির বিভাগের উদ্যোগে ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন’ কর্মসূচির বিভাগীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল রোববার হয়ে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফায়েকউজ্জামান।
প্রধান অতিথি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার বিভিন্নভাবে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখছে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ উদ্যোগ একটি মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।’
ইএটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুবিন খান তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘২০১৩ সালে মোবাইল অ্যাপস গ্লোবাল জিডিপিতে ২৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে, যা বিশ্বের সমগ্র মোবাইল অ্যাপস ইকোসিস্টেমের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। আশা করা যাচ্ছে, ২০২০ সালে এ খাতে অর্জিত রেভিনিউ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আমাদের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্মসূচির পরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব জি ফকরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সরকারের তথ্য ও সেবাগুলো জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনেক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, এ কর্মসূচির অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা আরো মোবাইল অ্যাপস তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আমাদের আগামী প্রজন্ম মোবাইল অ্যাপস তৈরির মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবে, যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রধান ড. রামেশ্বর দেবনাথ, খুলনা নর্থওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন আবদুল্লাহিল বাকীসহ অধ্যাপকবৃন্দ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কর্মসূচির বাস্তবায়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইএটিএলের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচি মূলত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে জণগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি সরকারি উদ্যোগের অংশ। মোবাইল অ্যাপস তৈরির জন্য এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৭টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাতটি বিভাগে মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দেশের সাতটি বিভাগে সাতটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ফিচার ডেস্ক