ইয়ামিন হত্যা : ১৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সাভারে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যানের (এপিসি) ওপর থেকে ফেলে দেওয়া আশহাবুল ইয়ামিন হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৯ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর প্রসিকিউশনের আবেদনের শুনানি শেষে আজ রোববার (২৬ জুলাই) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এ মামলার ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই সঙ্গে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার থাকা ছয় আসামিকে আগামী ২৫ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ মামলার আসামিরা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, সাভার থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজামান, আশুলিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ, এএসআই মোহাম্মদ আলী, নায়েক সুহেল মিয়া, কনস্টেবল মাহফুজ মিয়া, সাভার উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, মো. আতিকুর রহমান, ফখরুল আলম সমর, মেহেদী হাসান তুষার, রাজু আহম্মেদ, মো. ফরিদ, জামান খান, মিজানুর রহমান জিএস মিজান ও শরীফ আশরাফুল আলম বাবুল।
ট্রাইব্যুনালে আজ রোববার প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে এমআইএসটির শিক্ষার্থী আশহাবুল ইয়ামিন নিহত হন। ওই সময় পুলিশের একটি সাঁজোয়া যানের (এপিসি) ওপর থেকে তাকে টেনে নিচে ফেলে দেওয়ার নির্মম ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ইয়ামিন রাজধানীর মিরপুরের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ইয়ামিনের বাসা ছিল সাভারের ব্যাংক টাউন আবাসিক এলাকায়।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)