জমির উদ্দিন সরকারের জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকারের কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সংসদের নির্ধারিত চত্বরে জমির উদ্দিন সরকারকে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তারা জমির উদ্দিন সরকারের দেশের জন্য বিভিন্ন অবদান ও দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জমির উদ্দিন সরকারের বড় ছেলে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি তারা বাবার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবার নিকট দোয়া কামনা করেন।
এ ছাড়া জানাজায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানসহ সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আজ রোববার ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান।
জমির উদ্দিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)