‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ-এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ও ইতিবাচক খাত হচ্ছে কৃষি। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময় কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। তিনি দেশের কৃষকদের নিরলস পরিশ্রম ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কৃষকদের সম্মান ও প্রণোদনা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি।
নিজের পারিবারিক পটভূমির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। আমার বাবাও একজন কৃষক ছিলেন। কৃষকদের জীবন-সংগ্রাম আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। সবসময়ই আমি কৃষকদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। প্রায় দুই দশক আগে কৃষি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে কৃষি খাত নিয়ে সরাসরি কাজ করার সুযোগ হয়েছিল।
ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড চালু এবং খাল খননের মতো উদ্যোগগুলো সফল করতে মাঠপর্যায়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলে মনে করেন মন্ত্রী।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, স্বল্প বেতনে কর্মরত ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের জীবনযাত্রার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে তাদের নিজ নিজ জেলায় পদায়নের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)