বিল্লাল হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ২ আসামি রিমান্ডে
রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রিয়াজুল হাসান (৫০) ও মো. আল আমিন মাহিনের (৩৭) বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এই আদেশ দেন। ঢাকার সিএমএম আদালতে আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আতিকুল আলম খন্দকারের আবেদনের পর এ আদেশ দেওয়া হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক রিয়াজুলের পাঁচ দিন এবং মাহিনের চার দিন রিমান্ডের আদেশ দেন।
এজাহার থেকে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দিদারুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দিদারুল ইসলাম বাবু ‘শালিসের কথা’ বলে বিল্লাল হোসেনকে আরাফাত মার্কেটের পেছনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া আসামিরা তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু ও তার সহযোগীরা লোহার রড, ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এ সময় রিয়াজুল হাসান ও আল আমিন মাহিনসহ অন্য আসামিরাও হামলায় অংশ নেন। হামলার একপর্যায়ে দিদারুল ইসলাম বাবু বিল্লাল হোসেনের বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালত প্রতিবেদক