আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে গেলেন আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা
জয়পুরহাটে জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের ১৪ নেতাকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গতকাল বুধবার (৩ জুন) দুপুরে তারা স্বেচ্ছায় জয়পুরহাটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরে আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা হলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনিরুল শহীদ মুন্না, জয়পুরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বাধীন, পুরানাপৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত, পাঁচবিবি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নূর হোসেন এবং পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস কে হক।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন পাঁচবিবি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্নুর, ক্ষেতলাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী আশিক রাজু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রতন হোসেন সরদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নিশাত চৌধুরী, ভাদশা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাশির হোসেন, ইউপি মেম্বার পিন্টু হোসেন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলম মিলন ও পুরানাপৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোর্ট ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আসামিরা জুলাই ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে হত্যা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। বুধবার তারা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা জানালে শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শাহজাহান সিরাজ মিঠু, জয়পুরহাট