বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের সমঝোতা স্মারক সই
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য (ইউকে) বিমান চলাচল খাতে বিনিয়োগ ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন জোরদারে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন উপস্থিত ছিলেন। তিনি চলতি সপ্তাহে ঢাকা সফরে এসে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণে কাজ করছেন। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই চুক্তি বিনিয়োগ সহজীকরণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে পিপিপি কর্তৃপক্ষ দেশের এজেন্ডা এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি থাকবে।”
উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীর সৃজনশীল সম্ভাবনা এবং ব্রিটিশ প্রবাসী ব্যবসায়ীদের শক্তি ও গতিশীলতা কাজে লাগাতে চাই।
যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত উইন্টারটন বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক অংশীদার। এই এমওইউ আমাদের যৌথ আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, যা বাণিজ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে বিমান খাতকে শক্তিশালী করবে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী এবং আজকের এই চুক্তি পারস্পরিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদারে প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী আশিক চৌধুরী বলেন, এটি নতুন প্রজন্মের বিনিয়োগের জন্য স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)