Skip to main content
NTV Online

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ
  • অ ফ A
  • রাজনীতি
  • সরকার
  • অপরাধ
  • আইন ও বিচার
  • দুর্ঘটনা
  • সুখবর
  • অন্যান্য
  • হাত বাড়িয়ে দাও
  • মৃত্যুবার্ষিকী
  • শোক
  • কুলখানি
  • চেহলাম
  • নিখোঁজ
  • শ্রাদ্ধ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • বাংলাদেশ
  • সরকার
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আরও খবর
১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ
ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণে যানবাহনের গতি বেড়েছে
মশার উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আপডেট: ১৯:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করেন। ছবি : বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ  

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির রাত। টেলিভিশনের পর্দায় লাখ লাখ মানুষের চোখ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জানতে উন্মুখ দেশের মানুষ। সারা দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল একের পর এক প্রকাশিত হচ্ছে, আর মানুষের হৃদস্পন্দন বাড়ছে। পছন্দের প্রার্থী জয়ী হলে এক পক্ষের উল্লাস, আরেক পক্ষের হতাশা। তবে সবকিছু ছাপিয়ে যে বিষয়টি উজ্জ্বল হয়ে উঠে, তা হলো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ এবার অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ উৎসবমুখর নির্বাচনের স্বপ্ন দেখেছিল। অবশেষে এ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের সেই স্বপ্নপূরণ হলো এবং তারা সত্যিকারের নির্বাচিত সরকার পেলেন। আর সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বিএনপি এবারের নির্বাচনে এককভাবে ২১১ আসনে ভূমিধস বিজয় পেয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পর্যবেক্ষক দলসহ বিশ্বব্যাপী এ নির্বাচন স্বীকৃতি পেয়েছে। ইইউ পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য বলেছেন। তারা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের জালিয়াতি বা ভোট কারচুপির ঘটনা পাওয়া যায়নি।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পরপর তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পেরে দেশের মানুষ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। ২০১৪ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন, ২০১৮ সালের রাতের নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে তাদের পতনের পর এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে এসেছে।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে তাঁর রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথ মোটেও সহজ ছিল না।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন এবং কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। নির্বাসনে থেকেও তিনি দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে তিনি বিরামহীন সংগ্রাম করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং সম্প্রতি দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর। তিনি এমন এক পারিবারিক পরিবেশে বড় হয়েছেন, যেখানে সর্বোচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা করা হত, যা এখনো তাঁর দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হয়।

১৯৮৮ সালে গাবতলী উপজেলা বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন তারেক রহমান। গাবতলী উপজেলা হলো তার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক জন্মস্থান, যা উত্তরবঙ্গের বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

তারেক রহমান ১৯৯৩ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য হন। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তাঁর দলের পক্ষে জনমত গঠনের সুযোগ পান। বেগম খালেদা জিয়া যে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, দলের ‘ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজি কমিটি’র সদস্য হিসেবে তারেক রহমান সেসব আসনের নির্বাচনি প্রচারণা সমন্বয় করেন। ওই পাঁচ আসনে তাঁর মায়ের নিরঙ্কুশ বিজয় প্রমাণ করে, তিনি একজন দক্ষ সংগঠক এবং ভবিষ্যতে দলের নেতৃত্বে আসার যোগ্য।

তারেক রহমান তাঁর শৈশব থেকেই দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজনীতি শিখেছেন। তিনি কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁর মমতাময়ী মা খালেদা জিয়া মানুষের জন্য কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কত উদার ছিলেন এবং স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য তিনি কীভাবে সংগ্রাম করেছেন। তিনি তাঁর বাবা-মায়ের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আদর্শ রাজনৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করেছেন।

তারেক রহমান ২০০১ সালের নির্বাচনেও প্রচারণার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আবারও তাঁর  দক্ষ নেতৃত্বের প্রমাণ দেন। সারা দেশে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে তাঁর কৌশল সফল হয়। বিএনপি প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সেই নির্বাচনে জয়লাভ করে। বিজয়ের পর ২০০২ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করেন।

রাজনীতিতে তারেক রহমান যখন বিকশিত হচ্ছিলেন, তখন তাঁকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এরপর আসে কুখ্যাত সেনা-সমর্থিত অবৈধ ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আওয়ামী লীগ এবং তাদের দেশি-বিদেশি দোসরদের ষড়যন্ত্রের শিকার হন তারেক রহমান। ১/১১ সরকার নিষ্ঠুর, কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

রাজনীতি থেকে তারেক রহমানকে নিবৃত্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং দেশের আইনকে উপেক্ষা করে মাসের পর মাস অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

নির্মম নির্যাতনে মেরুদণ্ডের গুরুতর আঘাত নিয়ে তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান এবং বাধ্য হয়ে নির্বাসনে থাকার পথ বেছে নেন। কিন্তু তাঁর অদম্য মনোবল এবং জনগণের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি তাঁকে থামতে দেয়নি; বরং তিনি যুক্তরাজ্য থেকে অনলাইনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দেশের মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

তারেক রহমান তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের মনোবল চাঙা রেখেছেন এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনকালে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তাঁর অনুপস্থিতিতে ১৭টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল- তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা। তিনি ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এমনকি শেখ হাসিনার সরকার জিয়া পরিবারকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তাদের সেনানিবাসের বাড়ি ভেঙে ফেলে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অপপ্রচারের পরও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

তারেক রহমান জনগণের নেতা হিসেবে রাজনৈতিক ময়দানে অবিচল ছিলেন। তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারীর প্রকৃত দাবিদার। তিনি তাঁর বাবার প্রতিষ্ঠিত দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে জনসমর্থনের মাধ্যমে দলের তৃণমূলভিত্তি ক্রমাগত বিস্তৃত ও সুদৃঢ় হয়েছে।

২০১৮ সালে যখন তাঁর মা খালেদা জিয়া মিথ্যা অভিযোগে কারাগারে বন্দি হন, তখন তাঁকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়। কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের উৎকর্ষতার কারণে এ পদে তাঁকে মনোনীত করা হয়। তখন থেকেই তিনি স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

নির্বাসনে থাকলেও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তারেক রহমান থেমে থাকেননি। তাঁর দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও আহ্বান অবশেষে জাতিকে জাগিয়ে তোলে। জনগণ ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ শাসনের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং তাকে দেশত্যাগে বাধ্য করে। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাদের প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন দিনের সূচনা করে।

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারেক রহমানের প্রিয় মাতৃভূমিতে ফেরার পথ সুগম হয়। এরপর আসে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক দিন, যেদিন তিনি বীরের বেশে দেশের মাটিতে পা রাখেন, খালি পায়ে হেঁটে দেশের মাটি ছুঁয়ে দেখেন এবং হৃদয়ের গভীরে বাংলাদেশকে অনুভব করেন। এরপর বিশাল জনসমুদ্রে তাঁর প্রাণবন্ত কণ্ঠে ধ্বনিত হয়, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অ্যান্ড ফর দ্য কান্ট্রি।’

প্রায় ১৭ বছর পর তারেক রহমানকে ফিরে পেয়ে পুরো জাতি যখন বিজয়ের আনন্দে ভাসছিল, তখন বাংলাদেশ আরেকটি দুঃসংবাদ পেল—দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর তাঁর মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। এরপর ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যান হন, যা অনেক বিশ্লেষকের মতে তাঁর অনিবার্য উত্থান।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্থান উত্তরাধিকার সূত্রে হয়নি, বরং তিনি তাঁর নেতৃত্বগুণ, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, অন্তর্দৃষ্টি, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার কারণে রাষ্ট্র পরিচালনার শীর্ষে ওঠে এসেছেন। কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা ও ধৈর্যের সমন্বয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিকে অপশাসন, অরাজকতা, নিপীড়ন, জোর-জবরদস্তি ও দমন-পীড়নের অচলাবস্থা থেকে বের করে আনবেন। তিনি জনগণকে সেই অধিকার ফিরিয়ে দেবেন, যা তারা দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বঞ্চিত হয়েছে। তাঁর প্রতিশ্রুতি মানুষের হৃদয় জয় করেছে এবং এর ফলেই জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি বিশাল জয় পেয়েছে।

বাংলাদেশ আজ আবারও একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং তারেক রহমানের হাত ধরে পুনরায় গণতান্ত্রিক পথচলা শুরু হয়েছে।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: তারেক রহমান

৫৯ মিনিট আগে
১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • আরও
সর্বাধিক পঠিত
  1. বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত
  2. দুই ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ এমপিকে উদ্ধার
  3. গলা কেটে শিশু হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার
  4. কড়াইল বস্তি থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
  5. শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে : দুলু
  6. পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন ও কারিকুলাম প্রণয়ন করবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x