গণভোটের প্রচারণা চালাতে সিলেটে দুই উপদেষ্টা
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। এজন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে থাকতে হবে নিরপেক্ষ।
গণভোট বিষয়ে সিলেট বিভাগের সকল জেলার কোর কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিমকালে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তারা বলেন, জুলাইকে সবার ধারণ করতে হবে। তাই গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে দুই উপদেষ্টা বলেন, গণভোটের ব্যাপারে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো জড়তা থাকতে পারে না। তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ না থাকায় তারা যেকোনো ছোটোখাটো বিচ্যুতিকে ভাইরাল করে বড় আকারে প্রকাশ করতে পারে।
নির্বাচনকালীন সময়ে রাজনীতিবিদদের সাথে কেমন ব্যবহার করা হবে তারও একটি নীতিমালা বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে নির্দিষ্ট করা হবে বলে জানান উপদেষ্টাদ্বয়।
মতবিনিময় সভায় সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকগণ, আইনশঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেটে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভার দিকে ইঙ্গিত করে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, ২২ জানুয়ারি সিলেটে একটি বড় রাজনৈতিক দলের সভা। এই সভার আগে তাড়াহুড়ো করে সিলেট আসতে হয়েছে। কেননা, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কোনো ধরনের ভুল বুঝাবুঝি রাখতে চাই না। গণভোটে হ্যাঁ এর প্রচারণা রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কিফায়া। এটি বাংলাদেশের জনগণের জীবনে কি পরিবর্তন আনবে তা সকল ভোটারকে বুঝাতে হবে।
সিলেট বিভাগের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে চার জন উপদেষ্টাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত সিলেটের সকল সরকারি দায়িত্বশীলদের সচেতন থাকতে হবে।

সজল ছত্রী, সিলেট