বাড়ি ভাড়া থেকে প্রায় ৭৩ লাখ টাকা পান ড. মোশাররফ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি কুমিল্লা-১ আসন থেকে এবার নির্বাচন করবেন। নমিনেশন পাওয়ার পরে তিনি হলফনামা দাখিল করেছেন। তিনি হলফনামায় ১৯টি মামলার তথ্য দেখিয়েছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগ মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন এবং বাকিগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতির সুপারিশে আছে।
মোশাররফ হোসেন হলফনামায় পেশা ব্যবসায়ী দেখিয়েছেন। তিনি তার আয়ের উৎস দেখিয়েছেন কৃষি খাত থেকে। সেখান থেকে তিনি এক লাখ ৮৮ হাজার ২১০ টাকা আয় দেখিয়েছেন। এছাড়া বাড়ি ভাড়া থেকে ৭২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৩৪ টাকা আয় দেখিয়েছেন। এছাড়া স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর নামে ১৪৩ শতক কৃষিজমি এবং ২৩ শতক অকৃষিজমি রয়েছে। ঢাকার গুলশানে পাঁচ কাঠা জমির ওপর ছয়তলা বাড়ি। কুমিল্লার তিতাসে বাড়ি ও দাউদকান্দিতে একটি বাড়ি রয়েছে। এছাড়া চারটি কোম্পানিতে শেয়ার রয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার হোসেনের নামে রাজধানীর গুলশানে ১টি ফ্ল্যাট ও নবারুন ইন্ট্রিগ্রেটেড এবং স্বজন হাউজিং লিমিটেডে শেয়ার এবং ডিপোজিট মানি রয়েছে বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে।
হলফনামায় ড. মোশাররফ হোসেন ব্যাংকে আমানত দেখিয়েছেন ৯ লাখ ২০ হাজার ১৩৮ টাকা। এছাড়া তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৩৮ লাখ ৯৯ হাজার আটশত টাকা ও স্ত্রীর হাতে রয়েছে ৯ লাখ ৫ হাজার ১৬৭ টাকা। তার ব্যাংক হিসেবে জমা রয়েছে ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৪ টাকা ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসেবে জমা রয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬২ টাকা। স্থায়ী আমানত রয়েছে ১ কোটি টাকা। তার দুটি গাড়ি রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন ও স্ত্রীর একটি হার্ড জিপ রয়েছে বলে হলফনামায় দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় ড. খন্দকার মোশাররফের স্ত্রীর স্টক এক্সচেঞ্জে ১১ লাখ ৮ হাজার ৪৫৮ টাকা রয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। মোশাররফ হোসেনের ১৫ হাজার টাকার স্বর্ণ রয়েছে এবং বিবাহের সময় স্ত্রী ৪০ ভরি স্বর্ণ পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া হলফনামায় দুটি অস্ত্রের তথ্য দিয়েছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এর আগে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১৯৯১,১৯৯৬ সালে ও ২০০১ সালে কুমিল্লা ২ থেকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক