মাসে ৫৫ হাজার টাকা দলীয় ভাতা পান জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এবং বর্তমানে দলটির নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শাসনামলে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় আজহারুল ইসলাম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাভোগের পর উচ্চ আদালতে আপিলের ভিত্তিতে গত বছরের ২৭ মে খালাস পান। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রথম সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ আসন থেকে অংশ নেন।
এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এটিএম আজহারুল ইসলাম তার বর্তমান পেশা হিসেবে রাজনীতি করার কথা উল্লেখ করেছেন। তার আগের পেশা ছিল ব্যবসা। আয়ের উৎস হিসেবে তিনি কৃষিখাতের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখান থেকে তার বার্ষিক আয় ৩০ হাজার টাকা। নিজ দল জামায়াতে ইসলামী থেকে তিনি মাসিক ৫৫ হাজার টাকা ভাতা গ্রহণ করে থাকেন। এছাড়া তার সঞ্চয় হিসেবে ইবনে সিনার ৪৭৬০ টাকার শেয়ার আছে। এই শেয়ারের বর্তমান মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আজহারুল ইসলামের নগদ ৪৫ হাজার টাকা রয়েছে। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা আছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৮৬ টাকা। জামায়াতের এই নেতার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া চার বিঘা কৃষি জমি রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া তার ১০ শতক অকৃষি জমি রয়েছে যার অর্জনকালীন মূল্য ৫৫ হাজার টাকা।
এটিএম আজহারুল ইসলামের ২০২৫-২৬ সালের আয়কর রিটার্ন জমার তথ্যে আয় উল্লেখ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬৬ টাকা। সম্পদ হিসেবে কৃষি জমি, বসতভিটা ও আসবাবপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর এই নেতার বিরুদ্ধে মোট ১৬টি মামলা রয়েছে, যেগুলো দায়ের করা হয়েছিল ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে। তবে সবগুলো মামলা থেকেই তিনি খালাস, প্রত্যাহার বা অব্যাহতি পান ২০২৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক