খালেদার জিয়ার জানাজা : বিভিন্ন রুটে ঢাকায় প্রবেশ করছে মানুষ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সারাদেশ থেকে ঢাকায় প্রবেশ করছে বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। ঢাকার যাত্রাবাড়ি, গাবতলী, কমলাপুর, সদরঘাট লঞ্চঘাট দিয়ে মানুষের ঢল নেমেছে। তীব্র শীতে ছোট ছোট গ্রুপে মানুষ প্রবেশ করলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর দিকে ছুটছে মানুষ।
খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের এলাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বিঘ্নে জানাজায় অংশ নিতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন : মায়ের পাশে দোয়ারত তারেক রহমান
সকাল থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাতভর মানুষ এসে জড়ো হয়েছে। ফেনী থেকে আসা আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের গণতন্ত্রের মা তিনি, তারা জানাজা কি কোনোভাবে মিস করা যায়? ভোর ৬টায় একটা মাইক্রোবাস নিয়ে আমরা ১০ জন এসেছি। সকাল থেকে এখানেই অবস্থান করছি।’
জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশের মাঠ, ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে জানাজার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সংসদ ভবনের পশ্চিম প্রান্তে মরহুমার কফিন রাখা হবে।
এদিকে খালেদা জিয়াকে সর্বস্তরের জনগণ যাতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং জানাজায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় দপ্তরগুলো যাবতীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার্থে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী সড়কগুলোতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : আপসহীন নক্ষত্রের বিদায়
জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে। এ সময় পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মরদেহ বহনের জন্য একটি নির্ধারিত রুট অনুসরণ করা হবে। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মরদেহ ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কুড়িল ফ্লাইওভার, নৌ সদর দপ্তর এলাকা, গুলশান-২, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, এয়ারপোর্ট রোড, মহাখালী ফ্লাইওভার ও বিজয় সরণি হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের ৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক