চট্টগ্রাম নগরী যেন আবর্জনার ভাগাড়!
কোরবানির পশুর আবর্জনা ছয় ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করার কথা বলা হলেও এখনো চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় আবর্জনা জমে রয়েছে। রাস্তাঘাট, অলিগলিসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আবর্জনার কারণে পুরো নগরীকে মনে হয় যেন আবর্জনার ভাগাড়।
আজ বুধবার ঈদের দ্বিতীয় দিনও নগরের বিভিন্ন রাস্তায় পুরো অংশজুড়ে পশুর হাড়গোড়সহ বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে। নাক-মুখ চেপে এসব এলাকা দিয়ে চলছেন পথচারীরা।
এদিকে নগরীর মুরাদপুর থেকে চার লেইনের অক্সিজেন সড়কে চামড়ার দুর্গন্ধের কারণে চলাফেরা করা যাচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পশুর চামড়া গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে মজুদ করে রাখায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দুই পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি থেকে আসা যাত্রীসহ বিপুলসংখ্যক লোক এই সড়ক দিয়ে চলাচলের কারণে দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজ করছে।
সিটি করপোরেশন কোরবানির ছয় ঘণ্টার মধ্যে আবর্জনা পরিষ্কারের কথা থাকলে অনেক জায়গায় ডাস্টবিন উপচে পড়তে দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শৈবাল দাশ সুমন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, চামড়ার আড়তের কারণে অক্সিজেন পর্যন্ত সমস্যা হচ্ছে। তবে এই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শতভাগ সফল হয়েছেন বলে দাবি করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। ওই সময় তিনি বলেন, ঈদের দিন বিকেল ৪টার মধ্যে নগরী থেকে বর্জ্য অপসারণের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন, তা সফল হয়েছে।

আরিচ আহমেদ শাহ, চট্টগ্রাম