ফরিদপুরে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতাদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪০ জন। আজ শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।
প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর করেন নেতাকর্মীরা। এরপর পুলিশ গিয়ে ১৮টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ মাতুব্বরের সঙ্গে বর্তমান সহ-সভাপতি নুরু মাতুব্বরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
এরই জের ধরে আজ সকালে গট্টি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মিয়ারগট্টি গ্রামে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়।

এ সময় উভয়পক্ষ ঢাল-সড়কি, রামদা, ইট-পাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া, পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করে উভয়পক্ষ।
গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, ‘এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে ইচ্ছে করেই পরিকল্পিতভাবে আমার লোকদের ওপর নুরু মাতুব্বর ও তাঁর সমর্থকেরা হামলা চালায় এবং বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে।’
এদিকে নুরু মাতুব্বর বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার সমর্থকদের সঙ্গে ওয়াদুদ মাতুব্বরের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।’
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগানের ১৮টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সঞ্জিব দাস, ফরিদপুর