ঘানায় পাটকল স্থাপনের প্রস্তাব
ঘানায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাটকল স্থাপনের প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানি করতে চায় দেশটি। বাংলাদেশে ঘানার কোনো দূতাবাস না থাকায় এ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে দেওয়া হয়েছে। এ পাটকল নির্মাণের পুরো অর্থ ও অন্যান্য সহায়তা ঘানা বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিক বেন গায়েপি গারবারাহ দেবেন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মতামতসহ প্রস্তাবটি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। ঘানায় পাটকল নির্মাণের বিষয়ে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতামতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাব অনুযায়ী ঘানায় একটি মিল স্থাপন করা হলে ঘানা ও আইভরি কোস্টসহ পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোতে পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে।
এদিকে দিল্লিতে নিযুক্ত ঘানার রাষ্ট্রদূত স্যামুয়েল পানেয়িন ইয়ালি চার দিনের সফরে বাংলাদেশে এসে আজ বুধবার বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামানিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে এ সময় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমসহ মন্ত্রণালয় ও পাটকল করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামানিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘পাটপণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের পাট বেশ উৎকৃষ্টমানের হওয়ায় এর দ্বারা তৈরি পণ্য কিনতে বিভিন্ন দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। ঘানার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে জি টু জি পদ্ধতিতে পাটপণ্য কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা আন্তরিকভাবে এ প্রস্তাব গ্রহণ করেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে তাদের অবহিত করব।’
ঘানার প্রস্তাবের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, ‘তাঁরা আমাদের কাছ থেকে নগদে পাটপণ্য কিনতে চায়। জি টু জি পদ্ধতিতে আমরা পণ্য রপ্তানি করলে লাভবান হব।’

এম এ নোমান