সব হাসপাতালেই দালাল সমস্যা
খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর সব জায়গার সরকারি হাসপাতালগুলোতেই দালালের সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার (তদন্ত) ড. নাসির উদ্দিন। এ ব্যাপারে সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
দুদক কমিশনার আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ড. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কালকে খুলনা ভিজিট করে আসলাম। এর আগে ময়মনসিংহ, রংপুর। সব জায়গায় (হাসপাতালে) দালালের সমস্যা। (সরকারি হাসপাতালের) রাস্তার ওপাশেই তো প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো। এগুলো সব জায়গায় সমস্যা আছে। গ্রাম থেকে রোগীরা আসে এখানে (সরকারি হাসপাতালে), তাদেরকে দালালরা ওখানে নিয়ে যায়। এটা একটা বড় সমস্যা। এ ব্যাপারে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়া দরকার।’
দুদক কমিশনার বলেন, এখানে দেখলাম, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অনেক রোগী আসে। অতিরিক্ত রোগীর চাপে এখানে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকের অভাবে এখানে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) চালু করা যাচ্ছে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়ও সমস্যা রয়েছে।
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা অল্প সময়ে যেটা দেখলাম, আছে মোটামুটি। এটাকে অনেক ইমপ্রুভ করার সুযোগ আছে। তবে মূল সমস্যা হচ্ছে অবকাঠামো। দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন জায়গায় ভিজিট করি। আমরা ডিজি হেলথকে (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক) বা মিনিস্ট্রিতে রিপোর্ট করি, আমরা কী দেখলাম।’
যশোর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে দুদক কমিশনার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় ও স্থানীয় ভূমি কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এসব কার্যালয়ের বাইরে সিটিজেন চার্টার টাঙানো না থাকায় তা বাইরে দৃশ্যমান স্থানে টাঙানোর নির্দেশ দেন কর্মকর্তাদের।
এ সময় নাসির উদ্দিনের সঙ্গে ছিলেন দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ড. আবুল হাসান, যশোরের উপপরিচালক জাহিদ হোসেন, জেলা দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান।

সাইফুল ইসলাম সজল, যশোর